NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬ | ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা এসসিও সম্মেলনে শি-মোদি-পুতিন, আলোচনায় যেসব বিষয় ‘লেক অন্টারিও’-র নাম পাল্টে ‘লেক আমেরিকা’ রাখার নির্দেশ ট্রাম্পের মেসির অবসর ঘোষণায় যা বলল আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ইরানের ওপর প্রতি সপ্তাহে নতুন নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধের দাম কমাতে আরও ৯ কোম্পানির সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের চুক্তি ৯/১১-এর ২৫ বছর: নিউইয়র্কে নতুন প্রদর্শনী উদ্বোধন ৯/১১ মিউজিয়ামে ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল চুক্তি’ ঘোষণা ট্রাম্পের, ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ গুমের শিকার ও নিখোঁজদের নিয়ে জাতিসংঘের উদ্বেগ, ন্যায়বিচার নিশ্চিতের আহ্বান ট্রাম্পের হাতে আর্টেমিস-২ মহাকাশচারীদের কংগ্রেশনাল স্পেস মেডেল অব অনার
Logo
logo

‘জিয়ার নির্দেশে’ কর্নেল নাজমুল হুদাকে হত্যা, ৪৮ বছর পর মামলা


খবর   প্রকাশিত:  ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫, ০৩:২৯ এএম

‘জিয়ার নির্দেশে’ কর্নেল নাজমুল হুদাকে হত্যা, ৪৮ বছর পর মামলা

ঢাকা: ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর শহীদ কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা বীরবিক্রমকে হত্যার ৪৮ বছর পর মামলা দায়ের হয়েছে। মামলায় ১০ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের মেজর (অব.) আব্দুল জলিলকে আসামি করা হয়েছে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের নির্দেশে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার রাতে রাজধানীর শেরেবাংলানগর থানায় মামলাটি দায়ের করেছেন নিহতের কন্যা সংসদ সদস্য নাহিদ ইজহার খান। থানার ওসি উৎপল বড়ুয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলায় বাদী উল্লেখ করেছেন, পঁচাত্তরের ৭ নভেম্বর তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানের নির্দেশে মেজর জলিল সংসদ ভবন এলাকায় বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে তাঁর বাবা কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা বীরবিক্রমকে হত্যা করেছেন।

খন্দকার নাজমুল হুদা ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে ৮ নম্বর সেক্টরের সাব-সেক্টর কমান্ডার ছিলেন। ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় ২৭ নম্বর আসামি ছিলেন তিনি।

১৯৭৪ সালে কুমিল্লায় বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির প্রথম কমান্ড্যান্ট খন্দকার নাজমুল হুদা ৪৪ ও ৭২ ব্রিগেডের ব্রিগেড কমান্ডার ছিলেন।

নাজমুল হুদা দেশ স্বাধীনের পর প্রথমে যশোর ক্যান্টনমেন্ট, এরপর ঢাকা ও পরে কুমিল্লায় দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ তিনি রংপুর সেনানিবাসে দায়িত্বরত ছিলেন। সেখানে থাকার সময়ই তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার খবর পান। রেডিওতে খবর পেয়েই তিনি খালেদ মোশাররফ ও তৎকালীন সেনাপ্রধান সফিউল্লার সঙ্গে কথা বলেন বলে তাঁর স্ত্রী নীলুফার হুদার বরাতে এই তথ্য জানা যায়।