NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬ | ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা এসসিও সম্মেলনে শি-মোদি-পুতিন, আলোচনায় যেসব বিষয় ‘লেক অন্টারিও’-র নাম পাল্টে ‘লেক আমেরিকা’ রাখার নির্দেশ ট্রাম্পের মেসির অবসর ঘোষণায় যা বলল আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ইরানের ওপর প্রতি সপ্তাহে নতুন নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধের দাম কমাতে আরও ৯ কোম্পানির সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের চুক্তি ৯/১১-এর ২৫ বছর: নিউইয়র্কে নতুন প্রদর্শনী উদ্বোধন ৯/১১ মিউজিয়ামে ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল চুক্তি’ ঘোষণা ট্রাম্পের, ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ গুমের শিকার ও নিখোঁজদের নিয়ে জাতিসংঘের উদ্বেগ, ন্যায়বিচার নিশ্চিতের আহ্বান ট্রাম্পের হাতে আর্টেমিস-২ মহাকাশচারীদের কংগ্রেশনাল স্পেস মেডেল অব অনার
Logo
logo

‘আলহামদুলিল্লাহ’, স্বামীর রায় শুনে তাহমিনা জামান


খবর   প্রকাশিত:  ০২ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১০:০৫ পিএম

‘আলহামদুলিল্লাহ’, স্বামীর রায় শুনে তাহমিনা জামান

বহুল আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় আজ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ সব আসামিকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। 

স্বামীর খালাসের রায় শুনে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী তাহমিনা জামান।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন অপেক্ষার পর অবশেষে ন্যায় বিচার পেয়েছি।

এ কারণে মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শুকরিয়া জানাই, আলহামদুলিল্লাহ।

 

বাবরের স্ত্রী বলেন, ন্যায় বিচার পাওয়ার আশায় এতোদিন অপেক্ষা করা যে কী কষ্ট, তা একমাত্র ভুক্তভোগীরাই বলতে পারবে। আদালত আমাদের ন্যায় বিচার দিয়েছেন।


 

দুই দশক আগে ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা মামলার বিচারিক আদালতের রায় অবৈধ ঘোষণা করে তা বাতিল করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

 

বিচারিক রায়ের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের আবেদন) ও দণ্ডিত কয়েক জনের আপিলে শুনানির পর বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ রবিবার এই রায় দেন।
 
রায়ে বলা হয়েছে, আইনের ভিত্তিতে মামলার অভিযোগ গঠন করা হয়নি। ফলে বিচারিক আদালতের বিচার অবৈধ। তাই বিচারিক আদালতের ডেথ রেফারেন্স নাকচ এবং আসামিদের আপিল মঞ্জুর করা হলো।

 

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেছেন, ‘অন্য মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মুফতি আবদুল হান্নানের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ও ২৫ জন পরোক্ষ সাক্ষীর জবানবন্দির ভিত্তি করে বিচারিক আদালত এই রায় দিয়েছেন। এই ২৫ জন সাক্ষীর জবানবন্দির একটি আরেকটিকে সমর্থন করেনি। কোনো চাক্ষুস সাক্ষী ছিল না। মুফতি হান্নানের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির কোনো প্রমাণযোগ্য বা আইনগত মূল্য নেই, কারণ জীবদ্দশায় তিনি তাঁর স্বীকারোক্তি প্রত্যাহার করে গেছেন। এই স্বীকারোক্তি জোর করে নেওয়া হয়েছিল দাবি করা হয়েছে।

তা ছাড়া মুফতি হান্নানের স্বীকারোক্তিটি সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা যাথাযথ পরীক্ষা এবং গ্রহণ করা হয়নি।’