NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ১৫, ২০২৬ | ১ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব মরক্কোর সঙ্গে ড্র, হতাশায় ‘হেক্সা অভিযান’ শুরু ব্রাজিলের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এক টুকরো বাংলাদেশ! গানে গানে সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শ্রদ্ধা, দেওয়া হলো সংবর্ধনা কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প? বেলফাস্টে ঘরবন্দি ৫ হাজার বাংলাদেশি নোরা ফাতেহির সঙ্গে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয়, ছবিতে ছবিতে কানাডায় বিশ্বকাপের উদ্বোধন রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করলেন কোয়েল মল্লিক সেন্ট্রাল পার্কে বিশ্বকাপ উন্মাদনা, বিনামূল্যে ফাইনাল দেখাবে নিউইয়র্কবাসী
Logo
logo

ক্ষমা চাইলেন শিক্ষামন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ২৪ নভেম্বর, ২০২৩, ০৯:১০ পিএম

ক্ষমা চাইলেন শিক্ষামন্ত্রী

ঢাকা: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে অনুষ্ঠিত একটি রাজনৈতিক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেয়ার পর ক্ষমা চাইলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সমাবেশের কারণে শিক্ষা কার্যক্রমের ক্ষতি হওয়ায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমি সত্যিই ভীষণভাবে লজ্জিত। আশা করি, আপনারা ক্ষমা করবেন।

বুধবার (২৭ জুলাই) রাতে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু অলিম্পিয়াড ও শিক্ষাঙ্গন ডটকমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ক্ষমা চেয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অনুষ্ঠান না করার আহ্বান জানান তিনি। 

প্রসঙ্গত, সোমবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর দক্ষিণখানের চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকায় এসএম মোজাম্মেল হক শিক্ষা কমপ্লেক্সের মাঠে থানা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন।

এই অনুষ্ঠানের প্যান্ডেল সাজানো এবং ব্যানার পোস্টার টানানোর কারণে ওই দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রাখা হয়েছিল বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়।

এরপর বুধবার (২৭ জুলাই) রাতে শিক্ষামন্ত্রী এ বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন। দীপু মনি বলেন, সারাদেশের বিভিন্ন জায়গায় আমরা বলেছি, আমাদের খেলার মাঠের সংখ্যা কমে যাচ্ছে, এখন খেলার মাঠ বলতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যে মাঠ সেগুলো। আমরা সামাজিক, রাজনৈতিক, সংস্কৃতিক, ধর্মীয়- যেকোনো অনুষ্ঠান করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ ব্যবহার করি। আমাদের একটা নির্দেশনা আছে, শিক্ষা-সংক্রান্ত অনুষ্ঠান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে করেন। ‌আমি আসলে খুবই বিব্রত। আমি গত পরশু ঢাকায় একটি রাজনৈতিক সমাবেশে গেছি। আমি চলে আসার পর জেনেছি যে, আশপাশে বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ওই মাঠ ব্যবহার করে। সেখানে রাজনৈতিক সমাবেশটি হয়েছে। পরে আমি খোঁজ নিলে আমাকে বলা হলো, সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম চলেছে। যদিও বলা হয়েছে শিক্ষা কার্যক্রম চলেছে, আসলে কতটা চলেছে সেটা আমি জানি না। ওখানে যখন প্যান্ডেল করা হয়েছে তখন শিক্ষা কার্যক্রম একেবারে নির্বিঘ্নে হয়েছে এটা মনে করার কোনও কারণ নেই। সে কারণে আমি সত্যিই ভীষণভাবে লজ্জিত।

শিক্ষা কার্যক্রমের ক্ষতি করে প্রতিষ্ঠানের মাঠে সমাবেশ না করার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছি। সেখানে বেশ কয়েকটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠে সেই জনসভাটি হয়েছে। আমি জানি না ওখানে বিকল্প কোনও মাঠ ছিল কি না। যদি না থাকে যারা এ ধরনের অনুষ্ঠান করেন সেটি কোনও রাজনৈতিক, সামাজিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনও অনুষ্ঠান হোক, যদি কোনও বিকল্প থাকে বিকল্প জায়গায় করা, আর যদি বিকল্প না থাকে তাহলে যেন শিক্ষা কার্যক্রম কোনোভাবে ব্যাহত না হয় অথবা ছুটির দিনে করা হয়।

দীপু মনি বলেন, সবার কাছে আহ্বান করব, যদি এ ধরনের অনুষ্ঠান করা হয়, তাহলে যেন ছুটির দিনে করা হয় এবং ওই প্রাঙ্গণ নষ্ট বা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তার নিশ্চয়তা বিধান করেই যেন করা হয়।