NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬ | ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
শাটডাউন ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত, ৩৭০–৪৮ ভোটে বাজেট বিল পাস মার্কিন হাউসে ‘১৯৪৫-এর বিশ্বব্যবস্থা দিয়ে ২০২৬ চলবে না’: জাতিসংঘ সংস্কারের ডাক গুতেরেসের সাত মাসে শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ১৫ হাজার ৭১৭ জিডি শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা এসসিও সম্মেলনে শি-মোদি-পুতিন, আলোচনায় যেসব বিষয় ‘লেক অন্টারিও’-র নাম পাল্টে ‘লেক আমেরিকা’ রাখার নির্দেশ ট্রাম্পের মেসির অবসর ঘোষণায় যা বলল আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ইরানের ওপর প্রতি সপ্তাহে নতুন নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধের দাম কমাতে আরও ৯ কোম্পানির সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের চুক্তি ৯/১১-এর ২৫ বছর: নিউইয়র্কে নতুন প্রদর্শনী উদ্বোধন ৯/১১ মিউজিয়ামে
Logo
logo

রেস্তোরাঁয় মিলত ‘কোকেন পিৎজা’, পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৬


খবর   প্রকাশিত:  ২৩ অক্টোবর, ২০২৪, ০১:২৩ পিএম

রেস্তোরাঁয় মিলত ‘কোকেন পিৎজা’, পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৬

জার্মানির ডুসেলডর্ফ শহরে একটি পিৎজা রেস্তোরাঁতে অভিযান চালিয়ে মালিকসহ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রেস্তোরাঁটির ‘পিৎজা নম্বর ৪০’ খুব নাটকীয়ভাবে মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। তবে সেই জনপ্রিয়তা স্বাদের জন্য নয়। রেস্তোরাঁটি চিজ, টমেটো ও ময়দা দিয়ে বানানো পিৎজার পাশপাশি অন্য অনেক কিছু সরবরাহ করার জন্য অভিযুক্ত হয়েছে।

 

পুলিশ জানিয়েছে, রেস্তোরাঁটির ‘পিৎজা নম্বর ৪০’-এ পিৎজার সঙ্গে কোকেনও সরবরাহ করা হতো। এক বিবৃতিতে জার্মান পুলিশ বলেছে, ‘এটি সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া পিৎজাগুলোর একটি ছিল।’

রেস্তোরাঁটির ৩৬ বছর বয়সী মালিক তার বাড়িতে পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরেই ব্যাগভর্তি মাদক জানালা দিয়ে ছুড়ে ফেলে দেন। তবে ব্যাগটি পুলিশের হাতে গিয়েই পড়ে।

 অভিযুক্ত রেস্তোরাঁ মালিকের অপরাধে জড়ানোর অতীত কোনো রেকর্ড নেই। গ্রেপ্তারের দুই দিন পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।

 

তবে পুলিশ জানিয়েছে, মুক্তি পাওয়ার পর রেস্তোরাঁ মালিক আবারও ‘পিৎজা নম্বর ৪০’ সরবরাহ করা শুরু করেন। এর মাধ্যমে তারা কোকেনের সরবরাহ ও বিপণনের অন্যান্য সূত্র সম্পর্কেও জানতে পেরেছে।

 

১৫০ জন সদস্যের সমন্বয়ে পরিচালিত অভিযানে পুলিশ এক কেজি ৬০০ গ্রাম কোকেন, ৪০০ গ্রাম গাঁজা ও নগদ দুই লাখ ৬৮ হাজার ইউরো জব্দ করেছে। জার্মানির নর্থ রাইন ওয়েস্টাফালিয়া রাজ্যে মাদকের সরবরাহ বন্ধ করতে বেশ কিছুদিন ধরেই মাদকবিরোধী অভিযান চালাচ্ছে জার্মান পুলিশ।