NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬ | ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
কিউবার বিরুদ্ধে ফের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, টার্গেটে কাস্ত্রো পরিবারের সদস্য ও ব্যাংক-জ্বালানি খাত মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র নিয়ে বৈঠক ডিসেম্বর পর্যন্ত মার্কিন সরকার সচল রাখতে অর্থ বিল সই করলেন ট্রাম্প ইরানকে ট্রাম্পের নতুন হুঁশিয়ারি: ফের হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে দেওয়া সামরিক সহায়তার অর্থ ইউরোপকে ফেরত দিতে হবে: ট্রাম্প ন্যায়বিচার নিশ্চিত হলেই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব : আইরিন খান আমি রাজপরিবারের হলে মেগান আর প্রিন্স হ্যারিকে ফিরিয়ে নিতাম না : ট্রাম্প শান্তিচুক্তির অগ্রগতি হলে পুতিনের সঙ্গে আবার বৈঠকে বসতে চান ট্রাম্প বিশেষ সম্মানে মেসির ক্যারিয়ার উদযাপন করবে আর্জেন্টিনা সব ধরনের প্রচার থেকে আড়ালে যাচ্ছেন আরিয়ানা গ্রান্ডে
Logo
logo

যে ব্যক্তি দেশকে রক্ষা করে, সে আইন ভাঙতে পারে না: ট্রাম্প


খবর   প্রকাশিত:  ১৪ মার্চ, ২০২৫, ০৭:০৬ পিএম

যে ব্যক্তি দেশকে রক্ষা করে, সে আইন ভাঙতে পারে না: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে গত ২০ জানুয়ারি শপথ নেওয়ার পরপরই বেশ কয়েকটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। যা মধ্যে কয়েকটি আদেশের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। আর এসব মামলার বিরুদ্ধে আইনী লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প।

নির্বাহী আদেশগুলোতে স্বাক্ষর করা যে অবৈধ কিংবা ভুল না, সেই ইঙ্গিত দিয়ে শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ঊনবিংশ শতকের ফরাসি সেনানায়ক, সম্রাট ও রাজনীতিবিদ নেপোলিয়ন বোনাপার্টের একটি উক্তি উদ্ধৃত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

 

ফ্রান্সের তৎকালীন সেনাপ্রধান নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ১৮০৪ সালে নিজেকে দেশটির সম্রাট হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। সেসময় দেওয়া এক ভাষণে একবার বলেছিলেন, যা কিছু দিয়ে দেশকে কিছু রক্ষা করা যায়, সেসব অবৈধ নয়।

শনিবার নেপোলিয়নের এই উক্তিকে অনুসরণ করে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লেখেন, যিনি দেশকে রক্ষা করছেন, তিনি কখনো আইন বহির্ভূত কোনো কাজ করতে পারেন না।

 

২০ জানুয়ারি শপথ নেওয়ার পর বেশ কয়েকটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন ট্রাম্প। এসব আদেশের মধ্যে জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব বাতিল, সরকারি দাতা সংস্থা ইউএসএইডের কর্মীদের বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো, বহির্বিশ্বে ও অভ্যন্তরীন সংস্থা ও দপ্তরে অর্থ বরাদ্দ স্থগিত করা, অর্থ সাশ্রয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মীদের ব্যাপক ছাঁটাইয়ের মতো আদেশও ছিল।

সম্প্রতি জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিল, ইউএসএইডের কর্মীদের বাধ্যতামূলক ছুটি, অভ্যন্তরীণ সংস্থা ও দপ্তরে অর্থ বরাদ্ধ স্থগিত এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মীদের ছাঁটাইয়ের আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক আদালতে। বিচারকরা এ আদেশগুলো আটকেও দিয়েছেন।

 

আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এখনো সরাসরি কোনো কথা বলেননি ট্রাম্প, তবে শনিবার তিনি ট্রুথ সোশ্যালে নিজের বক্তব্য পোস্টের পর যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এক্সবার্তায় বলেন, দেশের শীর্ষ নির্বাহীর ক্ষমতাকে আদালতের বিচারকরা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন, যা কাম্য নয়।

 

সূত্র : রয়টার্স