NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, আগস্ট ২৬, ২০২৬ | ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
সহিংস উগ্র বামপন্থী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা চীন থেকে ২০টি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনবে বাংলাদেশ, ব্যয় ২.১৪ বিলিয়ন ডলার মহানবী (সা.)-এর আদর্শ তরুণদের জন্য হতে পারে প্রেরণার উৎস-প্রধানমন্ত্রী ৪৭ বছর পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে মুক্তি পেল সিরিয়া ইসরায়েলকে মেনে নিলেই সৌদি পাবে মার্কিন পারমাণবিক প্রযুক্তি : ট্রাম্প বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্লাবে আসতে পেরে আমি গর্বিত : ইয়ান দিওমান্দে মস্কোতে সিআইএ প্রধান জন র‍্যাটক্লিফ, রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গোপন বৈঠক হরমুজ প্রণালী থেকে সব জলমাইন সরানো হয়েছে; ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র নিয়ে ‘নৈতিক সীমারেখা’ অতিক্রমের ঝুঁকি, জরুরি বিধি চায় জাতিসংঘ ও রেড ক্রস যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে নতুন শুল্ক আরোপ, বাণিজ্যযুদ্ধ আরও তীব্র করল কানাডা
Logo
logo

মোদীর সঙ্গে একই গাড়িতে চড়তে চেয়েছেন পুতিন


খবর   প্রকাশিত:  ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:০৯ পিএম

মোদীর সঙ্গে একই গাড়িতে চড়তে চেয়েছেন পুতিন

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন চীনের তিয়ানজিনে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে একই গাড়িতে করে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের স্থানে যান।

মোদী তার এক্স (আগের টুইটার) অ্যাকাউন্টে রুশ নেতার সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, এসসিও শীর্ষ সম্মেলনের কার্যক্রম শেষে প্রেসিডেন্ট পুতিন এবং আমি আমাদের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের স্থানে একসঙ্গে ভ্রমণ করেছি। তার সঙ্গে কথোপকথন সবসময়ই গভীর অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন হয়।

 

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি সূত্রের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট পুতিন এসসিও সম্মেলন স্থল থেকে রিটজ-কার্লটন হোটেলে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে ভ্রমণ করতে চেয়েছিলেন। তিনি প্রায় ১০ মিনিট মোদীর জন্য অপেক্ষা করেছিলেন যাতে এক সঙ্গে যেতে পারেন।

সূত্রগুলো জানায়, এরপর দুই নেতা পুতিনের গাড়িতে করে একসঙ্গে যাত্রা করেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। তারা দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের স্থানে পৌঁছানোর পরেও গাড়িতে আরও ৪৫ মিনিট সময় কাটান। এর পরে দুই নেতার মধ্যে এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে পূর্ণাঙ্গ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়।

 

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে ভারত ও রাশিয়া বিশ্বের অন্যতম স্থিতিশীল সম্পর্ক বজায় রেখেছে। ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ভারত রাশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম তেল ক্রেতা হয়ে ওঠে। এসময় পশ্চিমা দেশগুলো মস্কো থেকে জ্বালানি আমদানি বন্ধ করে দেয় এবং রাশিয়ান অপরিশোধিত তেলের বাণিজ্যের ওপর মূল্যসীমা আরোপ করে।

ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক আর্থিক জটিলতার মধ্যে দুই দেশ মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমাতে রুপি-রুবল বাণিজ্য প্রক্রিয়াকে সহজ করার জন্য চেষ্টা করছে।