NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২৭, ২০২৬ | ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
সহিংস উগ্র বামপন্থী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা চীন থেকে ২০টি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনবে বাংলাদেশ, ব্যয় ২.১৪ বিলিয়ন ডলার মহানবী (সা.)-এর আদর্শ তরুণদের জন্য হতে পারে প্রেরণার উৎস-প্রধানমন্ত্রী ৪৭ বছর পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে মুক্তি পেল সিরিয়া ইসরায়েলকে মেনে নিলেই সৌদি পাবে মার্কিন পারমাণবিক প্রযুক্তি : ট্রাম্প বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্লাবে আসতে পেরে আমি গর্বিত : ইয়ান দিওমান্দে মস্কোতে সিআইএ প্রধান জন র‍্যাটক্লিফ, রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গোপন বৈঠক হরমুজ প্রণালী থেকে সব জলমাইন সরানো হয়েছে; ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র নিয়ে ‘নৈতিক সীমারেখা’ অতিক্রমের ঝুঁকি, জরুরি বিধি চায় জাতিসংঘ ও রেড ক্রস যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে নতুন শুল্ক আরোপ, বাণিজ্যযুদ্ধ আরও তীব্র করল কানাডা
Logo
logo

গাজায় ত্রাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত ১৭৬০ জনের মৃত্যু


খবর   প্রকাশিত:  ১৬ আগস্ট, ২০২৫, ০৭:০৮ পিএম

গাজায় ত্রাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত ১৭৬০ জনের মৃত্যু

জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস শুক্রবার জানিয়েছে যে, মে মাসের শেষের দিক থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় ত্রাণ নিতে গিয়ে কমপক্ষে ১ হাজার ৭৬০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। গত মে মাসে গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ) নামে বিতর্কিত সংস্থা ত্রাণ বিতরণ শুরু করার পর থেকেই বিভিন্ন স্থানে ফিলিস্তিনিদের ওপর নিয়মিত গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে।

ফিলিস্তিনিদের জন্য কাজ করা জাতিসংঘের সহায়তা সংস্থা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গত ২৭ মে থেকে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত কমপক্ষে ১ হাজার ৭৬০ জন ফিলিস্তিনি ত্রাণ সহায়তা নিতে গিয়ে নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৯৯৪ জন জিএইচএফের সাইটের আশেপাশে এবং ৭৬৬ জন ত্রাণ সরবরাহের বিভিন্ন রুটে নিহত হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের বেশিরভাগই ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর হাতে সংঘটিত হয়েছে।

 

গত ১ আগস্ট জাতিসংঘের কার্যালয়ের প্রতিবেদনে নিহতের সংখ্যা ১,৩৭৩ জন বলা হয়েছিল। এরপরেও প্রায় প্রতিদিনই ত্রাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে ফিলিস্তিনিরা নিহত হচ্ছে। গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে, শুক্রবার ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে কমপক্ষে ৩৮ জন নিহত হয়েছে, এদের মধ্যে ১২ জন মানবিক সাহায্যের জন্য অপেক্ষা করছিলেন।

এদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে যে, তাদের সেনারা হামাসের সামরিক সক্ষমতা ভেঙে ফেলার জন্য কাজ করছে এবং আরও জানিয়েছে যে তাদের সদস্যরা বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সতর্কতা অবলম্বন করছে।

 

বুধবার ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর প্রধান বলেন, গাজায় নতুন আক্রমণের পরিকল্পনা অনুমোদিত হয়েছে, যার লক্ষ্য হামাসকে পরাজিত করা এবং বাকি সকল জিম্মিকে মুক্ত করা।

সেনাবাহিনী গাজা শহর এবং এর কাছাকাছি শরণার্থী শিবিরগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিতে চায়। প্রায় দুই বছর ধরে অবরুদ্ধ এই উপত্যকায় সংঘাত চলছে।

শুক্রবার ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে যে, তাদের সৈন্যরা শহরের উপকণ্ঠে বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করছে। ইসরায়েলি সরকারের যুদ্ধ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা আন্তর্জাতিকভাবে তীব্র নিন্দার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণভাবেও বিরোধিতার জন্ম দিয়েছে।

 

 

 

জাতিসংঘ-সমর্থিত বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, এই অঞ্চলে ব্যাপক দুর্ভিক্ষ দেখা দিতে পারে। কারণ ইসরায়েল সেখানে পর্যাপ্ত ত্রাণ সহায়তা প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। হামাস-নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৬১ হাজর ৮২৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।