NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২৭, ২০২৬ | ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
সহিংস উগ্র বামপন্থী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা চীন থেকে ২০টি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনবে বাংলাদেশ, ব্যয় ২.১৪ বিলিয়ন ডলার মহানবী (সা.)-এর আদর্শ তরুণদের জন্য হতে পারে প্রেরণার উৎস-প্রধানমন্ত্রী ৪৭ বছর পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে মুক্তি পেল সিরিয়া ইসরায়েলকে মেনে নিলেই সৌদি পাবে মার্কিন পারমাণবিক প্রযুক্তি : ট্রাম্প বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্লাবে আসতে পেরে আমি গর্বিত : ইয়ান দিওমান্দে মস্কোতে সিআইএ প্রধান জন র‍্যাটক্লিফ, রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গোপন বৈঠক হরমুজ প্রণালী থেকে সব জলমাইন সরানো হয়েছে; ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র নিয়ে ‘নৈতিক সীমারেখা’ অতিক্রমের ঝুঁকি, জরুরি বিধি চায় জাতিসংঘ ও রেড ক্রস যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে নতুন শুল্ক আরোপ, বাণিজ্যযুদ্ধ আরও তীব্র করল কানাডা
Logo
logo

হামলায় ‌‘বিরতি’র ঘোষণা দিয়েও ৬৩ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল


খবর   প্রকাশিত:  ২৮ জুলাই, ২০২৫, ১০:০৭ এএম

হামলায় ‌‘বিরতি’র ঘোষণা দিয়েও ৬৩ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল

গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছাতে কিছু এলাকায় প্রতিদিন ১০ ঘণ্টা হামলায় ‘বিরতি’ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। কিন্তু এই ঘোষণার পরেও ইসরায়েলের আগ্রাসনে গাজাজুড়ে কমপক্ষে ৬৩ জন নিহত হয়েছে। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

স্থানীয় সময় রোববার ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মধ্য ও উত্তর গাজার আল-মাওয়াসি, দেইর এল-বালাহ এবং গাজা সিটিতে সামরিক তৎপরতা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখবে। তারা সকাল ৬টা থেকে রাত ১১টার মধ্যে খাদ্য ও চিকিৎসা কনভয়ের জন্য নির্ধারিত সাহায্য করিডোর খোলা রাখার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে।

 

কিন্তু ‘মানবিক বিরতির’ প্রথম দিনের কয়েক ঘন্টা পরেই ইসরায়েলি বিমান হামলা আবার শুরু হয়। দেইর এল-বালাহ থেকে আল জাজিরার হিন্দ খোদারি জানিয়েছেন, গাজা সিটিতে বিমান হামলা চালানো হয়েছে এবং এটি এমন একটি এলাকা যাকে নিরাপদ এলাকা হিসেবে মনোনীত করা হয়েছিল এবং সেখানে ইসরায়েলি বাহিনী তাদের সামরিক অভিযান বন্ধ করতে চলেছে।

ওই এলাকার ফিলিস্তিনিরা জানিয়েছে, একটি বেকারি টার্গেট করে এই হামলা চালানো হয়েছে। এর আগে আন্তর্জাতিক চাপের কারণে গাজায় ত্রাণ সরবরাহের অনুমতি দেয় ইসরায়েল।

 

অবরুদ্ধ এই উপত্যকায় ত্রাণ সরবরাহের অংশ হিসেবে আকাশপথে খাদ্য ও ওষুধ পাঠানোর ঘোষণা দেয় ইসরায়েল। পাশাপাশি, অঞ্চলটিতে নির্দিষ্ট মানবিক করিডোর খোলা হবে বলেও জানায় তারা।

 

 

 

গাজায় দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতি গভীরতর হওয়ায় বিশ্বব্যাপী সমালোচনার মুখে এমন পদক্ষেপ নিয়েছে তেলআবিব। গত ২ মার্চ যুদ্ধবিরতি আলোচনা ভেঙে পড়ার পর ইসরায়েল গাজায় পূর্ণ অবরোধ আরোপ করে। তবে মে মাসের শেষদিকে সীমিত আকারে ত্রাণ প্রবেশের অনুমতি দেয়।