NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২৭, ২০২৬ | ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
সহিংস উগ্র বামপন্থী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা চীন থেকে ২০টি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনবে বাংলাদেশ, ব্যয় ২.১৪ বিলিয়ন ডলার মহানবী (সা.)-এর আদর্শ তরুণদের জন্য হতে পারে প্রেরণার উৎস-প্রধানমন্ত্রী ৪৭ বছর পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে মুক্তি পেল সিরিয়া ইসরায়েলকে মেনে নিলেই সৌদি পাবে মার্কিন পারমাণবিক প্রযুক্তি : ট্রাম্প বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্লাবে আসতে পেরে আমি গর্বিত : ইয়ান দিওমান্দে মস্কোতে সিআইএ প্রধান জন র‍্যাটক্লিফ, রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গোপন বৈঠক হরমুজ প্রণালী থেকে সব জলমাইন সরানো হয়েছে; ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র নিয়ে ‘নৈতিক সীমারেখা’ অতিক্রমের ঝুঁকি, জরুরি বিধি চায় জাতিসংঘ ও রেড ক্রস যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে নতুন শুল্ক আরোপ, বাণিজ্যযুদ্ধ আরও তীব্র করল কানাডা
Logo
logo

যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রতিস্থাপন করেছে ইরান


খবর   প্রকাশিত:  ২১ জুলাই, ২০২৫, ১০:০৭ এএম

যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রতিস্থাপন করেছে ইরান

ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রতিস্থাপন করেছে ইরান। রোববার (২০ জুলাই) দেশটির এক শীর্ষ সেনা কর্মকর্তার বরাতে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মে মাসের মাঝামাঝি ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে আকস্মিক ও নজিরবিহীন বোমা হামলা চালায়, যার জবাবে তেহরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানায়।

 

ইরানের সেনাবাহিনীর অপারেশন প্রধান মাহমুদ মোসাভি বলেন, শত্রুর লক্ষ্য ছিল আমাদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ধ্বংস করা। যুদ্ধের সময় আমাদের কিছু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে বর্তমানে ওইসব ব্যবস্থা পুনরায় স্থাপন করা হয়েছে।

 

ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কে রয়েছে দেশীয়ভাবে নির্মিত বাভার-৩৭৩ ও খোরদাদ-১৫ সিস্টেম, যেগুলো ক্ষেপণাস্ত্র ও যুদ্ধবিমান প্রতিহত করতে সক্ষম। পাশাপাশি ২০১৬ সাল থেকে রাশিয়ার এস-৩০০ সিস্টেমও যুক্ত রয়েছে।

ইরান বলেছে, এ যুদ্ধে দেশটির এক হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে ইরানের হামলায় ইসরায়েলে অন্তত ২৮ জন নিহত হয়েছে বলে জানায় ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।

ইসরায়েলের হামলার লক্ষ্য ছিল ইরানের সামরিক অবকাঠামো ও পরমাণু স্থাপনাগুলো।

 

২২ জুন ইসরায়েলের মিত্র যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের ফোরদো, ইসফাহান ও নাতাঞ্জ পরমাণু স্থাপনায় নজিরবিহীন হামলা চালায়।

এ হামলায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির কতটা ক্ষতি হয়েছে তা এখনও পরিষ্কার নয়। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, পরমাণু কেন্দ্রগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে। তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি জানিয়েছে, তিনটি কেন্দ্রের মধ্যে কেবল একটি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

২৪ জুন ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। তবে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা পুনঃগঠনের চেষ্টা কোনোভাবেই সফল হতে দেওয়া হবে না।

 

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বলেছেন, তারা এমন একটি পরিকল্পনা তৈরি করছেন যাতে ইরান ভবিষ্যতে আর ইসরায়েলকে হুমকি দিতে না পারে।