NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২৭, ২০২৬ | ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
সহিংস উগ্র বামপন্থী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা চীন থেকে ২০টি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনবে বাংলাদেশ, ব্যয় ২.১৪ বিলিয়ন ডলার মহানবী (সা.)-এর আদর্শ তরুণদের জন্য হতে পারে প্রেরণার উৎস-প্রধানমন্ত্রী ৪৭ বছর পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে মুক্তি পেল সিরিয়া ইসরায়েলকে মেনে নিলেই সৌদি পাবে মার্কিন পারমাণবিক প্রযুক্তি : ট্রাম্প বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্লাবে আসতে পেরে আমি গর্বিত : ইয়ান দিওমান্দে মস্কোতে সিআইএ প্রধান জন র‍্যাটক্লিফ, রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গোপন বৈঠক হরমুজ প্রণালী থেকে সব জলমাইন সরানো হয়েছে; ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র নিয়ে ‘নৈতিক সীমারেখা’ অতিক্রমের ঝুঁকি, জরুরি বিধি চায় জাতিসংঘ ও রেড ক্রস যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে নতুন শুল্ক আরোপ, বাণিজ্যযুদ্ধ আরও তীব্র করল কানাডা
Logo
logo

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে ট্রাম্পের বিতর্কিত আদেশ স্থগিত


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ জুলাই, ২০২৫, ১০:০৭ এএম

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে ট্রাম্পের বিতর্কিত আদেশ স্থগিত

হাকিকুল ইসলাম খোকন,

জন্মসূত্রে নাগরিকত্বকে সীমিত করতে একটি নির্বাহী আদেশ দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে বিতর্কিত এই আদেশের কার্যকারিতা সারা দেশে স্থগিত করলেন এক ফেডারেল বিচারক। এর আগে এই আদেশের বিরুদ্ধে বিচারকদের ‘ইউনিভার্সাল ইনজাংশন’ জারির ক্ষমতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করেছিলেন।

রয়টার্স জানিয়েছে, নিউ হ্যাম্পশায়ারের কনকর্ডে অবস্থিত জেলা আদালতের বিচারক জোসেফ লাপ্লান্ত বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) ট্রাম্পের আদেশটি স্থগিত করেন। অভিবাসী অধিকারকর্মীদের একটি শ্রেণি মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন জোসেফ। মামলাটি করা হয়েছিল যেন জন্মের পর কোনো শিশুর নাগরিকত্ব হুমকির মুখে পড়লে তার পক্ষে এই মামলা পরিচালিত হয়। বিচারক লাপ্লান্ত মামলাটিকে শ্রেণি মামলা হিসেবে গ্রহণ করেন এবং যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পের আদেশটি স্থগিত করেন।

জোসেফ লাপ্লান্ত বলেন, এটা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া খুব কঠিন কিছু নয়। যদি ট্রাম্পের আদেশ কার্যকর হয়, তবে বহু শিশুকে নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত হতে হবে। সেটা একান্তই অপূরণীয় ক্ষতি।

তবে তিনি সরকারের আপিল করার সুযোগ দিতে এই স্থগিতাদেশ সাত দিন স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন এবং দিন শেষে লিখিত রায় দেবেন বলেও জানান। হোয়াইট হাউস এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।

এর আগে সুপ্রিম কোর্টের এক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশটি ২৭ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গত ২৭ জুন আদালতের কনজারভেটিভ সংখ্যাগরিষ্ঠতা এই সিদ্ধান্তের পক্ষে থাকলেও তারা ব্যতিক্রম হিসেবে শ্রেণি মামলা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ রেখেছে।

এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন (এসিএলইউ) ও আরও কয়েকটি সংস্থা দ্রুত দুটি শ্রেণি মামলা করে। এর মধ্যে একটি ছিল বিচারক লাপ্লান্তের আদালতে। গত ফেব্রুয়ারিতে এই বিচারক বলেছিলেন, ট্রাম্পের আদেশ ১৪তম সংশোধনীর সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ১৮৯৮ সালের ‘যুক্তরাষ্ট্র বনাম ওং কিম আর্ক’ মামলার রায়ের আলোকে তিনি বলেন, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব শিশুর পিতামাতার অভিবাসন অবস্থার ওপর নির্ভর করে না।

ট্রাম্পের আদেশ অনুযায়ী, কোনো শিশু যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করলেও তাদের অন্তত একজন পিতামাতা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক বা গ্রিন কার্ডধারী না হলে সেই শিশুর নাগরিকত্ব স্বীকৃতি দেওয়া হবে না। এটি কার্যকর হলে বছরে দেড় লাখের বেশি নবজাতক নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ট্রাম্প প্রশাসন অবশ্য যুক্তি দিচ্ছে, শ্রেণি মামলা এ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। কারণ, যেসব অভিভাবক মামলার মূল দাবি করছেন, তাদের অভিবাসন অবস্থা ভিন্ন ভিন্ন। কিন্তু বিচারক লাপ্লান্ত বলেন, জাতীয় নীতিনির্ধারণের দায়িত্ব বিচারকদের নয়, তবে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্টই বলেছেন, শ্রেণি মামলা একটি কার্যকর পথ।