NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, আগস্ট ২৮, ২০২৬ | ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের সৌদি আরবের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি কংগ্রেসে, ইসরায়েল স্বীকৃতির শর্ত নেপালে বন্যা ও ধসে নিহতদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শোক আরএসএসের অনুষ্ঠান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বিতর্ক নেপালে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানি, জাতিসংঘ মহাসচিবের শোক নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬২, নিখোঁজ শত শত পর্যটক সহিংস উগ্র বামপন্থী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা চীন থেকে ২০টি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনবে বাংলাদেশ, ব্যয় ২.১৪ বিলিয়ন ডলার মহানবী (সা.)-এর আদর্শ তরুণদের জন্য হতে পারে প্রেরণার উৎস-প্রধানমন্ত্রী ৪৭ বছর পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে মুক্তি পেল সিরিয়া
Logo
logo

কাউকে ছেড়ে দেওয়া হয়নি, শুল্ক নিয়ে নতুন হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের


খবর   প্রকাশিত:  ২১ এপ্রিল, ২০২৫, ০৯:৩৯ এএম

কাউকে ছেড়ে দেওয়া হয়নি, শুল্ক নিয়ে নতুন হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত শুক্রবারের ঘোষণা ঘিরে তৈরি হওয়া গুজব উড়িয়ে দিয়ে জানিয়েছেন, শুল্কের ক্ষেত্রে কোনো দেশই রেহাই পায়নি। এমনকি, চীনা ইলেকট্রনিক পণ্যের ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ শুল্ক এখনো বহাল রয়েছে, তবে সেগুলো এখন ‘ভিন্ন শুল্ক শ্রেণিতে’ রাখা হয়েছে।

একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টে ট্রাম্প বলেন, শুক্রবার কোনো শুল্ক অব্যাহতির ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

 

তিনি জানান, চীনের ইলেকট্রনিক পণ্যে এখনো সেই ২০ শতাংশ শুল্কই আরোপিত রয়েছে, যা মূলত ফেন্টানাইল-সংশ্লিষ্ট কারণে প্রযোজ্য। যুক্তরাষ্ট্র বহুদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছে, চীনা করপোরেশনগুলো জেনেশুনেই এমন গোষ্ঠীগুলোকে উপকরণ সরবরাহ করছে, যারা প্রাণঘাতী কৃত্রিম মাদক ফেন্টানাইল তৈরি করে এবং যার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে মাদক সংকট তৈরি হয়েছে।

 

ট্রাম্প আরও বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা ও শুল্কনীতির পরবর্তী তদন্তে আধুনিক ইলেকট্রনিক পণ্য—যেমন সেমিকন্ডাক্টর এবং পুরো ইলেকট্রনিক্স সরবরাহ ব্যবস্থা—ভবিষ্যতে বিশ্লেষণের আওতায় আসবে।

তিনি বলেন, আমরা বুঝতে পেরেছি, আমাদের নিজ দেশে পণ্য উৎপাদন করা দরকার। চীনের মতো ‘শত্রুভাবাপন্ন বাণিজ্যিক দেশগুলোর হাতে জিম্মি’ হওয়া থেকে মুক্ত থাকার জন্যই এই পদক্ষেপ জরুরি বলে উল্লেখ করেন ট্রাম্প।

এর আগে, গত বুধবার ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, তিনি চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়িয়ে ১২৫ শতাংশ করছেন। তবে তার প্রশাসন পরে জানায়, এই ১২৫ শতাংশের সঙ্গে আগে থেকে আরোপিত ২০ শতাংশ শুল্কও যুক্ত থাকছে। ফলে মোট শুল্ক দাঁড়াচ্ছে ১৪৫ শতাংশে।

 

 

 

পরবর্তীতে খবর ছড়ায়, ট্রাম্পের বাড়তি শুল্ক থেকে অব্যাহতি পেয়েছে চীনের কম্পিউটার এবং কিছু ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি। কিন্তু সেটিকে গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

সূত্র: বিবিসি