NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, জুন ২৮, ২০২৬ | ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশ-মায়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শনের সুযোগ রয়েছে: আইএইএ প্রধান যে কারণে ম্যাডোনার বহুল প্রতীক্ষিত বায়োপিক বাতিল হলো রূপকথা লিখে আর্জেন্টিনাকে পেল কেপ ভার্দে, সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিদায় চীন সব সময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে : শি জিনপিং বেইজিংয়ে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির জাদুঘর পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী কেতন হত্যায় পরস্পরকে দুষছেন সিয়া-চেতন ভেনিজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৮৮ আর্জেন্টিনা-স্পেন শেষ ৩২-এ মুখোমুখি হতে পারে অভিনেত্রীর ফ্ল্যাট থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার
Logo
logo

ডিজিটাল বাংলাদেশ শেখ হাসিনার উন্নয়ন দর্শন : পররাষ্ট্রমন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ২০ মার্চ, ২০২৫, ১২:৪৬ পিএম

ডিজিটাল বাংলাদেশ শেখ হাসিনার উন্নয়ন দর্শন : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান, কারিগরি ও প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশের যে ভিত্তি তৈরি করে গেছেন, সে পথ ধরেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ করে দেশকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। এক যুগের বেশি পথচলায় প্রমাণিত হয়েছে, ডিজিটাল বাংলাদেশ শেখ হাসিনার এক উন্নয়ন দর্শন। এখন লক্ষ্য ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ।’

আজ রবিবার (৮ জানুয়ারি) ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ই-গেইট কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিকনির্দেশনায় এবং সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বদরবারে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। এরই ধারাবাহিকতায় দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ তার নাগরিকদের জন্য ই-পাসপোর্ট ও ই-গেইট প্রবর্তন করেছে। 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, দেশ ও জাতির স্বার্থে বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান উন্নতির সঙ্গে দেশকেও প্রযুক্তিগত দিক থেকে এগিয়ে নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারের ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয়ে ২০২০ সালের ২২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক সর্বাধুনিক মাইক্রোপ্রসেসর চিপযুক্ত ই-পাসপোর্টের উদ্বোধন হয়।

ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ইমিগ্রেশন ব্যবস্থাপনাকে আরো সেবামুখী ও নিরাপদ করতে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে ই-পাসপোর্ট ও ই-গেইট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি। এইসব সর্বাধুনিক নাগরিকবান্ধব সেবার মাধ্যমে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরো উজ্জ্বল হবে এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে। ই-গেইট সেবা গ্রহণ করে বিদেশগামী আমাদের যাত্রীরা অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে এবং কোনো ধরনের বিড়ম্বনা ছাড়া ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করতে পারবেন। এতে ইমিগ্রেশন ব্যবস্থাকে আরো নিরাপদ ও সুসংহত হবে।