NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, আগস্ট ১৪, ২০২৬ | ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণিত অলিম্পিয়াডে পদকজয়ীদের সাক্ষাৎ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন ব্যবসায়ীদের আলোচনা, বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহ উত্তরাখণ্ডে নির্মাণাধীন সুড়ঙ্গে ধস, নিহত ৬ কোন ছবির জন্য পারিশ্রমিক বাড়ালেন শ্রদ্ধা কাপুর? বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা, সতর্ক করল জাতিসংঘ দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসিতে জমা পড়েছে তিন মনোনয়নিপত্র বিএনপির মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ মির্জা ফখরুলের, রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা বেলুচিস্তানের স্বাধীনতা দিবস পালন: বিশ্বমঞ্চে সার্বভৌমত্বের জোরালো স্বীকৃতি দাবি
Logo
logo
এশিয়ান লাইট ইন্টারন্যাশনালের নিবন্ধ

‘হাসিনার নেতৃত্বে প্রবৃদ্ধি-উন্নয়নে রেকর্ড বাংলাদেশের’


খবর   প্রকাশিত:  ১২ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৮:৫২ এএম

‘হাসিনার নেতৃত্বে প্রবৃদ্ধি-উন্নয়নে রেকর্ড বাংলাদেশের’

ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের শক্তিশালী রেকর্ড দেখিয়েছে বাংলাদেশ। এমনকি ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মাঝেও উন্নয়নের শক্তিশালী রেকর্ড প্রদর্শন করে চলেছে দেশটি। সংবাদমাধ্যম এশিয়ান লাইট ইন্টারন্যাশনাল তাদের এক নিবন্ধে এই তথ্য সামনে এনেছে। গত মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআই।

নিবন্ধেবলা হয়েছে, ‘শক্তিশালী জনসংখ্যাগত লভ্যাংশ, শক্তিশালী তৈরি পোশাক খাত (আরএমজি) ও এর রপ্তানি, স্থিতিশীল রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং স্থিতিশীল সামষ্টিক-অর্থনৈতিক অবস্থা’ গত ২০ বছরে বাংলাদেশের দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়েছে বলে এশিয়ান লাইট ইন্টারন্যাশনাল তাদের রিপোর্টে উল্লেখ করেছে।

নতুন নতুন ফ্লাইওভার, সেতু এবং বাণিজ্যিক বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় একটি ‘উল্লেখযোগ্য রূপান্তর’ ঘটেছে। এছাড়া পদ্মা নদীর ওপর ৬.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ রেল-সড়ক সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় গত বছরের ২৫ জুন।

এশিয়ান লাইট ইন্টারন্যাশনালের মতে, স্বাধীনতার পর থেকে এই সেতুটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো। স্বাধীনতার ৫০ বছর পর দক্ষিণ এশিয়ার সর্বকনিষ্ঠ দেশ বাংলাদেশ এখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই অঞ্চলে শক্তিশালী অর্থনীতির দেশ হয়ে উঠেছে। এশিয়ান লাইট ইন্টারন্যাশনালের নিবন্ধে বলা হয়েছে, অল্প সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ নিম্ন-আয়ের এবং স্বল্পোন্নত দেশ থেকে নিম্ন-মধ্যম-আয়ের-উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে।

অতীতে বাংলাদেশ কেবলই প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্যই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে এসেছে। আর এই দেশটিই এখন লাখ লাখ মানুষকে দারিদ্র্যের খপ্পর থেকে বের করে আনা এবং ৬.৬ শতাংশেরও বেশি গড় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সাক্ষী হয়েছে। এমনকি মিয়ানমার থেকে ১০ লাখেরও বেশি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুকে আশ্রয়ও দিয়েছে বাংলাদেশ।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) মতে, জিডিপির দিক থেকে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৪৩তম বৃহত্তম অর্থনীতি। একইসঙ্গে পিপিপির দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান ৩২ তম। এশিয়ান লাইট ইন্টারন্যাশনালের নিবন্ধে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির শীর্ষ ১০টির মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে। সংবাদমাধ্যমটির মতে, আন্তর্জাতিক পেশাদার পরিষেবা ব্র্যান্ড প্রাইসওয়াটারহাউসকুপার্সের দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের ২৮তম বৃহত্তম অর্থনীতি হবে।

বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নকে আরও এগিয়ে নিতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার রপ্তানিমুখী শিল্প সম্প্রসারণ এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন করতে ২০১০ সালে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল আইন প্রণয়ন করে।

গত ২৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে তিনি আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব গ্রহণ করেছেন। মূলত দশমবারের মতো আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর গণভবনে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনাকে উদ্ধৃত করে নিবন্ধে বলা হয়েছে, ‘কারও এতবার (নেতৃত্বের) দায়িত্ব নেওয়া উচিত না। কিন্তু বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমি দায়িত্বটি গ্রহণ করেছি। আপনাকে বুঝতে হবে, আমি বৃদ্ধ হয়ে যাচ্ছি।’

এছাড়া জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসকে আওয়ামী লীগের ‘সবচেয়ে বড় শক্তি’ বলেও অভিহিত করেছেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, তাদের দল জনগণের শক্তিতে বিশ্বাস করে এবং আর তাই আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী করার জন্য দলের নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।