NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ২৯, ২০২৬ | ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
২৯ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি তদন্তের দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্র বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগের ঘোষণা সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টের ‘ধর্মীয় অবমাননা’র অভিযোগ, ১৫ দিন সম্প্রচার বন্ধ জিও নিউজের মরক্কোর বিস্ময়বালককে নিয়ে ইউরোপ জায়ান্টদের কাড়াকাড়ি ডেটিং অ্যাপে সঙ্গী খুঁজছেন রাকুল প্রীতের স্বামী? মালয়েশিয়া ও চীন সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি: সংসদে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের পথ সামনে খুলবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‘সিয়াকেও লোহাগড় দুর্গ থেকে ফেলে দেওয়া হোক’ ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত ভেনিজুয়েলা, মৃত্যু ১৪০০ ছাড়াল
Logo
logo

সাধারণ জনগণের যুদ্ধের ফসল স্বাধীন বাংলাদেশ : আমু


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৪:০৭ এএম

>
সাধারণ জনগণের যুদ্ধের ফসল স্বাধীন বাংলাদেশ : আমু

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু বলেছেন, হাতে গোনা গুটিকয়েক রাজাকার, আলবদর ছাড়া বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল। এদেশের সাধারণ জনগণ সেদিন বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে একাট্টা হয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছিল। এই স্বাধীন বাংলাদেশ এদেশের সাধারণ জনগণের যুদ্ধের ফসল।

মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতি আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।   

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমির হোসেন আমু বলেন, মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি যারা অংশ নিতে পারেননি তারা সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্নভাবে সহায়তা করেছেন এবং অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি ছিল স্বাধীনতার মূলমন্ত্র। আর ৭ মার্চের ভাষণে ছিল  মুক্তিযুদ্ধের দিক নির্দেশনা ও স্বাধীনতার ঘোষণা। আজ যারা স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে বিতর্ক তোলে, তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারন করে না।

এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব সাজ্জাদুল হাসান। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী প্রফেসর ড. শামসুল আলম। আরও বক্তব্য রাখেন  স্বাধীনতা পুরস্কার ও পদ্মশ্রী পদকপ্রাপ্ত লে. কর্নেল (অব.) কাজী সাজ্জাদ আলী জহির (বীর প্রতীক)।