NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, আগস্ট ১৪, ২০২৬ | ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণিত অলিম্পিয়াডে পদকজয়ীদের সাক্ষাৎ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন ব্যবসায়ীদের আলোচনা, বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহ উত্তরাখণ্ডে নির্মাণাধীন সুড়ঙ্গে ধস, নিহত ৬ কোন ছবির জন্য পারিশ্রমিক বাড়ালেন শ্রদ্ধা কাপুর? বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা, সতর্ক করল জাতিসংঘ দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসিতে জমা পড়েছে তিন মনোনয়নিপত্র বিএনপির মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ মির্জা ফখরুলের, রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা বেলুচিস্তানের স্বাধীনতা দিবস পালন: বিশ্বমঞ্চে সার্বভৌমত্বের জোরালো স্বীকৃতি দাবি
Logo
logo

সাধারণ জনগণের যুদ্ধের ফসল স্বাধীন বাংলাদেশ : আমু


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৪:০৭ এএম

>
সাধারণ জনগণের যুদ্ধের ফসল স্বাধীন বাংলাদেশ : আমু

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু বলেছেন, হাতে গোনা গুটিকয়েক রাজাকার, আলবদর ছাড়া বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল। এদেশের সাধারণ জনগণ সেদিন বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে একাট্টা হয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছিল। এই স্বাধীন বাংলাদেশ এদেশের সাধারণ জনগণের যুদ্ধের ফসল।

মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতি আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।   

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমির হোসেন আমু বলেন, মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি যারা অংশ নিতে পারেননি তারা সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্নভাবে সহায়তা করেছেন এবং অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি ছিল স্বাধীনতার মূলমন্ত্র। আর ৭ মার্চের ভাষণে ছিল  মুক্তিযুদ্ধের দিক নির্দেশনা ও স্বাধীনতার ঘোষণা। আজ যারা স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে বিতর্ক তোলে, তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারন করে না।

এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব সাজ্জাদুল হাসান। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী প্রফেসর ড. শামসুল আলম। আরও বক্তব্য রাখেন  স্বাধীনতা পুরস্কার ও পদ্মশ্রী পদকপ্রাপ্ত লে. কর্নেল (অব.) কাজী সাজ্জাদ আলী জহির (বীর প্রতীক)।