NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ | ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নেপালের বন্যা জলবায়ু নিয়ে বিশ্বকে আরও সক্রিয় হওয়ার বার্তা দিচ্ছে: জিসিএফ প্রধান বাংলাদেশে প্রায় ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে: বিশ্বব্যাংক আমাদের সামনে এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি মানবে সরকার ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিনদের সতর্কবার্তা নিউইয়র্কে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় নারী ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত শাটডাউন ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত, ৩৭০–৪৮ ভোটে বাজেট বিল পাস মার্কিন হাউসে ‘১৯৪৫-এর বিশ্বব্যবস্থা দিয়ে ২০২৬ চলবে না’: জাতিসংঘ সংস্কারের ডাক গুতেরেসের সাত মাসে শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ১৫ হাজার ৭১৭ জিডি শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা
Logo
logo

পাকিস্তানে অনিশ্চিত পেপসি-কোকের ২০০ মিলিয়ন ডলার আনার পরিকল্পনা


খবর   প্রকাশিত:  ১৮ জানুয়ারী, ২০২৫, ০৮:৫৬ এএম

>
পাকিস্তানে অনিশ্চিত পেপসি-কোকের ২০০ মিলিয়ন ডলার আনার পরিকল্পনা

এশিয়ার দেশ পাকিস্তান বর্তমানে ডলার সংকটে ভুগছে। গত ১০ বছরের মধ্যে তাদের বৈদশিক রিজার্ভের পরিমাণ সবচেয়ে কমেছে। আর এ কারণে দেশটিতে এখন থমকে গেছে আমদানি-রপ্তানি।

ফলে যেকোনোভাবে এখন ডলার আনতে চাইছে পাকিস্তান। আর এমন সংকটের মধ্যে দেশটিতে ২০০ মিলিয়ন ডলার আনার পরিকল্পনা করেছে বিশ্বের দুই বৃহৎ কোমলপানীয় প্রতিষ্ঠান পেপসি ও কোকাকোলা। কোম্পানিগুলোর প্রতিনিধিরা পাকিস্তানের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এক বৈঠকে জানিয়েছিল, পেরেন্ট কোম্পানির কাছ থেকে ঋণ বাবদ এ অর্থ পাকিস্তানে নিয়ে আসবে তারা।

তবে পেপসি-কোকাকোলার ২০০ মিলিয়ন ডলার আনার পরিকল্পনাটি অনিশ্চয়তায় পড়ে গেছে। মূলত পাকিস্তান সরকার কোমলপানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর ৪ শতাংশ ফেডারেল আবগারি শুল্ক বা ‘সুগার ট্যাক্স’ আরোপ করার প্রস্তাব দিয়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে নিজেদের আপত্তির কথা জানিয়েছে এ দুই কোম্পানি। তারা ইঙ্গিত দিয়েছে ‘সুগার ট্যাক্স’ আরোপ করা হলে কোমলপানীয়র দামই শুধু বৃদ্ধি পাবে না, সঙ্গে থমকে যেতে পারে ২০০ মিলিয়ন ডলার আনার পরিকল্পনাও।

এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের কাছে একটি চিঠিও লিখেছে কোকাকোলা এবং পেপসি। তারা জানিয়েছে, এ ধরনের কর ‘অন্যায়’ কারণ এটি শুধুমাত্র কার্বোনেটেড ড্রিংসের উপরই আরোপ করা হয়।

তারা আরও জানিয়েছে, এমনিতেই কোমলপানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো অন্যান্য খাতগুলোর তুলনায় বেশি কর দেয়। এখন যদি নতুন করে আরও কোনো কর আরোপ করা হয় তাহলে পাকিস্তানে এ ইন্ডাস্ট্রি ভেঙে পড়ার শঙ্কায় পড়বে।