NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ | ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নেপালের বন্যা জলবায়ু নিয়ে বিশ্বকে আরও সক্রিয় হওয়ার বার্তা দিচ্ছে: জিসিএফ প্রধান বাংলাদেশে প্রায় ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে: বিশ্বব্যাংক আমাদের সামনে এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি মানবে সরকার ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিনদের সতর্কবার্তা নিউইয়র্কে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় নারী ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত শাটডাউন ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত, ৩৭০–৪৮ ভোটে বাজেট বিল পাস মার্কিন হাউসে ‘১৯৪৫-এর বিশ্বব্যবস্থা দিয়ে ২০২৬ চলবে না’: জাতিসংঘ সংস্কারের ডাক গুতেরেসের সাত মাসে শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ১৫ হাজার ৭১৭ জিডি শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা
Logo
logo
মেয়র হানিফের মৃত্যুবার্ষিকী

‘মানুষের হৃদয়ে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় বেঁচে আছেন তিনি’


খবর   প্রকাশিত:  ০২ জানুয়ারী, ২০২৪, ১০:৪২ এএম

‘মানুষের হৃদয়ে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় বেঁচে আছেন তিনি’

ঢাকা: ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড হামলা হলে তিনি মানবঢাল রচনা করে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে রক্ষার প্রচেষ্টা চালান। গ্রেনেডের স্প্লিন্টারে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হয়েছিলেন। আওয়ামী লীগের এই নিবেদিত নেতা, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র মোহাম্মদ হানিফের ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ সোমবার। দোয়া মাহফিল, কবরে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হবে।

 

 

মোহাম্মদ হানিফের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ আজিমপুর কবরস্থানে মেয়র হানিফের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। আজিমপুরে মেয়র মোহাম্মদ হানিফ জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা এতে অংশ নেবেন। মেয়র হানিফের ছেলে এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন এসব কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকবেন।

২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে গ্রেনেড হামলা থেকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনাকে বাঁচাতে গিয়ে শরীরে অসংখ্য স্প্লিন্টার বিদ্ধ হওয়ায় আর স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি মোহাম্মদ হানিফ। ২০০৬ সালের ২৮ নভেম্বর ৬২ বছর বয়সে তিনি মারা যান।

মেয়র হানিফের ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, মোহাম্মদ হানিফ ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন পরীক্ষিত নেতা। সততা, আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের গুণে রাজনৈতিক জীবনের প্রতিটি পদে তিনি ছিলেন অত্যন্ত সফল একজন মানুষ। নিজের জীবন বাজি রেখে প্রিয় নেত্রীকে বাঁচাতে তাঁর আত্মত্যাগের উদাহরণ সব রাজনৈতিক নেতাকর্মীর জন্য সব সময় অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং মহান মুক্তিযুদ্ধসহ স্বৈরাচারবিরোধী গণ-আন্দোলন ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে এই জননেতা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। আওয়ামী লীগ তথা বাংলাদেশের একজন নিবেদিতপ্রাণ, ত্যাগী, পরীক্ষিত এবং দেশপ্রেমিক নেতা হিসেবে মোহাম্মদ হানিফ মানুষের হৃদয়ের গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় বেঁচে থাকবেন। মোহাম্মদ হানিফের সংগ্রামী জীবন ও কর্ম নতুন প্রজন্মের রাজনৈতিক কর্মীদের দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করবে।

উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন মোহাম্মদ হানিফ। ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধুর ছেড়ে দেওয়া ঢাকা-১২ আসন থেকে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়ে হুইপের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৬ সালে তিনি ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৪ সালে ৩০ জানুয়ারি ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে প্রথম মেয়র নির্বাচিত হন মোহাম্মদ হানিফ।