NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬ | ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশে প্রায় ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে: বিশ্বব্যাংক আমাদের সামনে এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি মানবে সরকার ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিনদের সতর্কবার্তা নিউইয়র্কে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় নারী ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত শাটডাউন ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত, ৩৭০–৪৮ ভোটে বাজেট বিল পাস মার্কিন হাউসে ‘১৯৪৫-এর বিশ্বব্যবস্থা দিয়ে ২০২৬ চলবে না’: জাতিসংঘ সংস্কারের ডাক গুতেরেসের সাত মাসে শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ১৫ হাজার ৭১৭ জিডি শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা এসসিও সম্মেলনে শি-মোদি-পুতিন, আলোচনায় যেসব বিষয়
Logo
logo

সিসি ক্যামেরার সামনে মোটরসাইকেল রাখার অনুরোধ ডিবির


খবর   প্রকাশিত:  ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৭:০১ এএম

>
সিসি ক্যামেরার সামনে মোটরসাইকেল রাখার অনুরোধ ডিবির

চুরি ঠেকাতে সিসিটিভি ক্যামেরা যেখানে সেখানে মোটরসাইকেল রাখার অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

শুক্রবার (২১ অক্টোবর) চাঁদপুর, নোয়াখালী, মুন্সিগঞ্জ জেলায় অভিযান চালিয়ে ১৩টি চোরাই মোটরসাইকেলসহ এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি গুলশান বিভাগ।

গ্রেপ্তাররা হলেন- মো. খালেক হাওলাদার ওরফে সাগর আহম্মেদ (৪৮) ও মো. জিসান আহমেদ ওরফে সম্রাট (২২)। গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ১৩টি চোরাই মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।

শনিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্য প্রযুক্তি সহায়তায় মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্য মো. খালেককে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার খালেকের নামে এ পর্যন্ত ১৫টি মামলা হয়েছে বিভিন্ন থানায়। তিনি গত আট বছরে ৫০০-৭০০ মোটরসাইকেল ঢাকা থেকে চুরি করে চাঁদপুর, নোয়াখালী, মুন্সিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন লোকের কাছে বিক্রি করেছেন। গ্রেপ্তাররা ঢাকার বিভিন্ন এলাকার রাস্তায় পার্কিংয়ে থাকা মোটরসাইকেল কৌশলে মাস্টার চাবি দিয়ে খুলে নিয়ে যায়।

ডিবি প্রধান বলেন, আমাদের অনুরোধ, যারা মোটরসাইকেল চালান তারা যেন মোটরসাইকেল পার্কিংয়ের সময় একটু লোকালয় দেখে বা সিসিটিভি ক্যামেরা আছে ওইসব এলাকায় পার্কিং করেন। তাহলে মোটরসাইকেল চুরি কিছুটা রোধ করা যাবে। সিসিটিভি আছে এমন জায়গায় এলাকায় মোটরসাইকেল চুরি হলেও আমরা ফুটেজ দেখে পরবর্তীতে তা বের করে ফেলতে পারব। আর যারা মফস্বল এলাকা থেকে মোটরসাইকেল কেনেন, তারা কেনার আগে কাগজপত্র বিআরটিএ থেকে যাচাই করে কিনবেন।

অন্যথায় যারা চোরাই মোটরসাইকেল কিনবেন বা যার বাসা থেকে উদ্ধার হবে তারাও সেই চোরাই মামলার আসামি হবেন। যেসব মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে- সেগুলোর সঠিক কাগজ নিয়ে আসবেন আমরা যাচাই করে গাড়ি ফেরত দিয়ে দেব।