NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, আগস্ট ২৬, ২০২৬ | ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
মহানবী (সা.)-এর আদর্শ তরুণদের জন্য হতে পারে প্রেরণার উৎস-প্রধানমন্ত্রী ৪৭ বছর পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে মুক্তি পেল সিরিয়া ইসরায়েলকে মেনে নিলেই সৌদি পাবে মার্কিন পারমাণবিক প্রযুক্তি : ট্রাম্প বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্লাবে আসতে পেরে আমি গর্বিত : ইয়ান দিওমান্দে মস্কোতে সিআইএ প্রধান জন র‍্যাটক্লিফ, রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গোপন বৈঠক হরমুজ প্রণালী থেকে সব জলমাইন সরানো হয়েছে; ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র নিয়ে ‘নৈতিক সীমারেখা’ অতিক্রমের ঝুঁকি, জরুরি বিধি চায় জাতিসংঘ ও রেড ক্রস যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে নতুন শুল্ক আরোপ, বাণিজ্যযুদ্ধ আরও তীব্র করল কানাডা যুক্তরাষ্ট্রে ফ্যামিলি গ্রিন কার্ডের অপেক্ষায় থাকা বাংলাদেশিদের জন্য বড় সুখবর আশ্রয়প্রার্থীদের ২ লাখ পর্যন্ত ভিসা বাতিলের প্রস্তুতি ট্রাম্প প্রশাসনের
Logo
logo

পাকিস্তানের পারমাণবিক কেন্দ্রে ড্রোনের আঘাত, ‘অনিচ্ছাকৃত’ বলল ভারত


খবর   প্রকাশিত:  ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৮ এএম

পাকিস্তানের পারমাণবিক কেন্দ্রে ড্রোনের আঘাত, ‘অনিচ্ছাকৃত’ বলল ভারত

পাকিস্তানের সঙ্গে সামরিক উত্তেজনার সময় ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ কিরাণা হিলসে একটি ভারতীয় ড্রোন আঘাত হেনেছিল। তবে ওই স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলাটি চালানো হয়নি বলে জানিয়েছেন ভারতের সাবেক চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস) জেনারেল অনিল চৌহান।

 

তার ভাষ্য, ইসরায়েলি প্রযুক্তির হারোপ ড্রোনটি সারগোদা ও আশপাশের এলাকায় পাকিস্তানের রাডার শনাক্তের কাজে নিয়োজিত ছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো লক্ষ্য খুঁজে না পাওয়ার পর কিরাণা হিলসের কাছে ড্রোনটির জ্বালানি ফুরিয়ে যায়। এরপর সেটি ওই এলাকায় আছড়ে পড়ে।

ঘটনার এক বছর পর এ নিয়ে মুখ খুলল ভারতের সেনাবাহিনী।

 

নয়াদিল্লির বিবেকানন্দ সেন্টারে দেওয়া এক বক্তব্যে জেনারেল চৌহান বলেন, ‘ভারতী (এ কে ভারতী) ঠিকই বলেছিলেন, আমরা কিরাণা হিলসকে লক্ষ্যবস্তু করিনি।’

অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল এ কে ভারতী অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারতীয় বিমানবাহিনীর ডিরেক্টর জেনারেল অব এয়ার অপারেশনস হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।

ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়ে জেনারেল চৌহান আরো বলেন, ‘হামলার আগে আমরা সারগোদা ও তার ১০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত কিরাণা হিলসে প্রচুর লোইটারিং মিউনিশন (আত্মঘাতী ড্রোন) পাঠিয়েছিলাম। এগুলো সারগোদা ও তার আশপাশের রাডার খুঁজছিল।

এগুলোর একটি নির্দিষ্ট ফ্লাইং টাইম থাকে। সাধারণত দুই ঘণ্টার মতো এগুলো আকাশে উড়তে পারে। এসময়ের মধ্যে টার্গেট না পেলে এটি শেষ পর্যন্ত কোথাও না কোথাও গিয়ে আঘাত হানবে। সম্ভবত এটি তেমনই কোনো একটি পাহাড়ে গিয়ে আছড়ে পড়েছিল।’

 

সাবেক এ কর্মকর্তা বলেন, পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের স্কার্দুতেও বিমান হামলার অনুমোদন দিয়েছিল ভারতীয় বিমানবাহিনী।

তবে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে শেষ মুহূর্তে সেই মিশন বাতিল করা হয়।

 

জেনারেল চৌহান বলেন, ‘বিমানবাহিনী প্রধান আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে তিনি সারগোদায় হামলা চালাবেন কি না। আমি বলেছিলাম, এগিয়ে যান এবং আরও দুটি লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত করুন। তিনি যে স্থানগুলো বেছে নিয়েছিলেন, তার একটি ছিল স্কার্দু। আমরা অনুমতি দিয়েছিলাম, কিন্তু কিছু সময় পর স্কার্দুর আবহাওয়া খারাপ হয়ে যাওয়ায় তাঁদের পরিকল্পনা বদলে ভোলারিতে হামলা চালাতে হয়।’