NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬ | ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আমাদের সামনে এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি মানবে সরকার ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিনদের সতর্কবার্তা নিউইয়র্কে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় নারী ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত শাটডাউন ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত, ৩৭০–৪৮ ভোটে বাজেট বিল পাস মার্কিন হাউসে ‘১৯৪৫-এর বিশ্বব্যবস্থা দিয়ে ২০২৬ চলবে না’: জাতিসংঘ সংস্কারের ডাক গুতেরেসের সাত মাসে শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ১৫ হাজার ৭১৭ জিডি শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা এসসিও সম্মেলনে শি-মোদি-পুতিন, আলোচনায় যেসব বিষয় ‘লেক অন্টারিও’-র নাম পাল্টে ‘লেক আমেরিকা’ রাখার নির্দেশ ট্রাম্পের
Logo
logo

বাংলাদেশের বিষয়ে ভারতের সব দল-মত এক : প্রধানমন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০৭:০৩ পিএম

>
বাংলাদেশের বিষয়ে ভারতের সব দল-মত এক : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ভারত সফরে যথেষ্ট আন্তরিকতা পেয়েছি। যার সঙ্গেই আমার কথা হয়েছে, তাদের আন্তরিকতা সবসময় ছিল, আছে এবং থাকবে। বাংলাদেশের বিষয়ে ভারতের সব দল-মত এক থাকে, এটা হলো বড় কথা। আপনারা দেখেছেন ৭১ সালে যেমন দল-মত নির্বিশেষে এক হয়ে সমর্থন দিয়েছিল।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা যখন আমাদের স্থল সীমানা চুক্তি বাস্তবায়ন করি, ছিটমহল বিনিময় করি, তখন ভারতের পার্লামেন্টে আইনটা পাস হয় তখন কিন্তু সব দল এক হয়ে আইনটা পাস করেছিল। 

বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। গত ৫ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

পাশাপাশি একটি দেশের সঙ্গে নানা সমস্যা থাকতে পারে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি সবসময় মনে করি, সব ধরনের সমস্যা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যায়।

শেখ হাসিনা বলেন, আপনারা জানেন আমি আরেকটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এটা আমাদের নিজেদের জন্যই দরকার। ১৯৬৫ সালে ভারত- পাকিস্তান যে যুদ্ধ হয়েছিল সে যুদ্ধের পরে আমাদের রেল যোগাযোগ, সড়ক যোগাযোগ বন্ধ ছিল। আমরা কিন্তু একে একে সেগুলো উন্মুক্ত করে দিচ্ছি, ওই সমস্ত অঞ্চলের মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থা যাতে আরও গতিশীল হয় সেজন্যই কিন্তু সেগুলো করা হচ্ছে। কাজেই আন্তরিকতার আমি কোনো অভাব দেখিনি।

তিনি বলেন, আপনি যদি নিজে ভালো বন্ধু হন, তাহলে সবাই ভালো থাকবেন। আবার নিজে যদি একটু এদিক-ওদিক করেন, তখন তো ভালো সম্পর্ক থাকে না, তাই না। আমাদের নীতি স্পষ্ট ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বিরোধিতা নয়’। আপনার নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর থেকে এটা সম্পূর্ণভাবে মেনে চলছি। কেউ কিন্তু বলতে পারবে না, শত্রু ও বন্ধু তা নয়। আমরা সকলের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রেখে একে একে আমাদের সব সমস্যার সমাধান করছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালের আগে সমুদ্র সীমার বিষয়ে কোনো আলোচনাই হয়নি। যদিও আমরা ’৯৬ সালে কাজ শুরু করেছিলাম, আমাদের তখন একটা প্রস্তুতি পর্ব ছিল। এরপর ২০০১ সালে সরকারে আসতে পারিনি। বিএনপি-জামায়াত জোট এসেছিল। তারা কিন্তু কোনো পদক্ষেপই নেয়নি। দ্বিতীয়বার সরকারের আসার পর আমরা আমরা উদ্যোগ নিলাম। বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রেখে ভারত এবং মিয়ানমারের সঙ্গে কিন্তু এটা আন্তর্জাতিক আদালতে গিয়ে সমাধান হয়েছে। আদালতে গিয়েছি সত্য, আমাদের মধ্যে বন্ধুত্বের কোনো ফাটল ধরেনি। আমাদের বিশাল সমুদ্রসীমা এই প্রথম আমরা অর্জন করলাম।