NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, আগস্ট ২৬, ২০২৬ | ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
যুক্তরাষ্ট্রে ফ্যামিলি গ্রিন কার্ডের অপেক্ষায় থাকা বাংলাদেশিদের জন্য বড় সুখবর আশ্রয়প্রার্থীদের ২ লাখ পর্যন্ত ভিসা বাতিলের প্রস্তুতি ট্রাম্প প্রশাসনের ৪০ ট্রিলিয়ন ডলারের ঋণ, প্রবৃদ্ধির ওপর ভরসা ট্রাম্পের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে মেইল ভোটে ট্রাম্পের বিধিনিষেধে সুপ্রিম কোর্টের ছাড় মেয়েদের সার্বজনীন উপবৃত্তি পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সিরিয়াকে দেওয়া ‘সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্র’ তকমা তুলে নিল যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ায় জয়শঙ্কর-পুতিন বৈঠক, মোদির বার্তা পৌঁছে দিল ভারত বিশ্বের সবচেয়ে দামি ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ, বার্সা-পিএসজিসহ বাকিরা কোথায় আসছে ‘দৃশ্যম ৩’, মিলবে শেষ অধ্যায়ের উত্তর ৪৭ বছর পর ‘সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্র’ তালিকা থেকে সিরিয়াকে সরাল যুক্তরাষ্ট্র
Logo
logo

গাজা গণহত্যায় অভিযুক্ত হয়েছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী মেলোনি


খবর   প্রকাশিত:  ০৯ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:১০ এএম

গাজা গণহত্যায় অভিযুক্ত হয়েছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী মেলোনি

ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি জানিয়েছেন, তিনি গাজা উপত্যকায় চলমান ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের ফলে সংঘটিত গণহত্যায় সহায়তার অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) অভিযুক্ত হয়েছেন।

মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন রাই (আরএআই)-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মেলোনি বলেন, ‘প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইদো ক্রোসেত্তো এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তায়ানি একই অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন।’

এ ছাড়া ইতালির প্রতিরক্ষা শিল্পপ্রতিষ্ঠান লিওনার্দোর প্রধান রোবের্তো চিনগোলানিকেও বিচারের মুখোমুখি হতে হতে পারে বলে তিনি ধারণা করেন।

এটি প্রথমবারের মতো এমন একটি ঘটনা, যেখানে ইতালির উচ্চ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের ইসরায়েলের গাজা যুদ্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত অভিযোগে আইসিসিতে অভিযুক্ত করা হলো।

এই যুদ্ধ শুরু হয় ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর।

 

সেই তারিখ থেকে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র এবং কয়েকটি পশ্চিমা দেশের সরাসরি সমর্থনে ইসরায়েলি বাহিনী গাজা উপত্যকায় যে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে, তা অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘গণহত্যা’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (সিপরি)-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ইতালি ছিল মাত্র তিনটি দেশের একটি যারা ইসরায়েলে ‘প্রধান অস্ত্র’ রপ্তানি করেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি বৃহৎ অস্ত্র (যার মধ্যে বিমান, ক্ষেপণাস্ত্র, ট্যাংক ও বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত) রপ্তানির ৯৯ শতাংশের জন্য দায়ী ছিল।

 

গাজার ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই অভিযানে এ পর্যন্ত ২ লাখ ৩৬ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত বা আহত হয়েছে এবং প্রায় ১০ হাজার মানুষ নিখোঁজ। এ ছাড়া ৪৫৯ জন, যার মধ্যে ১৫৪ শিশু, ক্ষুধা ও অপুষ্টিতে মারা গেছে।