NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২৭, ২০২৬ | ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নেপালে বন্যা ও ধসে নিহতদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শোক আরএসএসের অনুষ্ঠান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বিতর্ক নেপালে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানি, জাতিসংঘ মহাসচিবের শোক নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬২, নিখোঁজ শত শত পর্যটক সহিংস উগ্র বামপন্থী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা চীন থেকে ২০টি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনবে বাংলাদেশ, ব্যয় ২.১৪ বিলিয়ন ডলার মহানবী (সা.)-এর আদর্শ তরুণদের জন্য হতে পারে প্রেরণার উৎস-প্রধানমন্ত্রী ৪৭ বছর পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে মুক্তি পেল সিরিয়া ইসরায়েলকে মেনে নিলেই সৌদি পাবে মার্কিন পারমাণবিক প্রযুক্তি : ট্রাম্প বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্লাবে আসতে পেরে আমি গর্বিত : ইয়ান দিওমান্দে
Logo
logo

ইরান ও সৌদির মধ্যে ‘ফলপ্রসূ’ আলোচনা


খবর   প্রকাশিত:  ১০ জুলাই, ২০২৫, ১০:০৭ এএম

ইরান ও সৌদির মধ্যে ‘ফলপ্রসূ’ আলোচনা

সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান (এমবিএস) ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির মধ্যে জেদ্দায় এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধের পর এই প্রথম কোনো শীর্ষ ইরানি কর্মকর্তা সৌদি সফর করলেন।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাঈল বাঘায়ি জানান, যুবরাজ মোহাম্মদের সঙ্গে আরাঘচির ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

 

এই বৈঠক এমন এক সময় হলো যখন ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে টানা ১২ দিনের সংঘর্ষে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালায় এবং পরে একটি যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতা করে। তা সত্ত্বেও, এই সফর প্রমাণ করে যে রিয়াদ-তেহরানের মধ্যকার সম্পর্কোন্নয়ন থেমে যায়নি।

 

সৌদি প্রেস এজেন্সি জানিয়েছে, আরাঘচি ও যুবরাজ এমবিএস বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় চলমান প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা করেছেন।

বৈঠকে যুবরাজ বলেন, অস্ত্রবিরতি চুক্তি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। সৌদি আরব সবসময় কূটনৈতিক সংলাপের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির পক্ষে অবস্থান নেয় বলেও জানান তিনি।

সফরকালে আরাঘচি সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সাউদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।

 

গত ১৩ জুন ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে একটি বড় ধরনের বিমান হামলা চালায়, যাতে শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা, পারমাণবিক বিজ্ঞানী এবং শত শত বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। এর পাল্টা জবাবে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে ইসরায়েলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে।