NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, আগস্ট ৩১, ২০২৬ | ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল চুক্তি’ ঘোষণা ট্রাম্পের, ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ গুমের শিকার ও নিখোঁজদের নিয়ে জাতিসংঘের উদ্বেগ, ন্যায়বিচার নিশ্চিতের আহ্বান ট্রাম্পের হাতে আর্টেমিস-২ মহাকাশচারীদের কংগ্রেশনাল স্পেস মেডেল অব অনার শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী কিয়েভের একটি গুদামে রুশ ড্রোন হামলায় নিহত ২৭ নতুন আঞ্চলিক সমঝোতার পথ দেখাল ইরান শচীন-পন্টিংকে ছাড়িয়ে জো রুটের বিশ্বরেকর্ড প্রতারণার অভিযোগ ‘অযৌক্তিক’, দাবি সেলেনা গোমেজের জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান ট্রাম্পের 'নজিরবিহীন ঘোষণা'য় ভেনেজুয়েলার তেলক্ষেত্র যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে
Logo
logo

কাজাখস্তানে প্লেন বিধ্বস্ত, ক্ষমা চাইলেন পুতিন


খবর   প্রকাশিত:  ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৯:১৩ এএম

কাজাখস্তানে প্লেন বিধ্বস্ত, ক্ষমা চাইলেন পুতিন

রাশিয়ার আকাশসীমায় ক্ষতিগ্রস্ত একটি যাত্রীবাহী প্লেন বিধ্বস্ত হয়ে ৩৮ জন নিহতের ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তবে এই ঘটনায় রাশিয়াকে দায়ী করার ক্ষেত্রে সরাসরি কিছু বলেননি তিনি।

গত ২৫ ডিসেম্বরের ওই দুর্ঘটনা নিয়ে প্রথমবারের মতো মন্তব্য করতে গিয়ে পুতিন বলেন, রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয়ভাবে ইউক্রেনীয় ড্রোন প্রতিহত করার সময় দুঃখজনক ঘটনাটি ঘটে।

 

অভিযোগ উঠেছে, চেচনিয়ায় অবতরণের চেষ্টা করতে গিয়ে আজারবাইজান এয়ারলাইনসের যাত্রীবাহী প্লেনটি রুশ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার গুলিতে আক্রান্ত হয়। এর ফলে সেটি দিক পাল্টে কাস্পিয়ান সাগর অতিক্রম করতে বাধ্য হয়। পরে কাজাখস্তানের আক্তাউ শহরের কাছে জরুরি অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয় সেটি। এই দুর্ঘটনায় প্লেনের ৬৭ আরোহীর মধ্যে ৩৮ জন প্রাণ হারান।

 

শনিবার ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পুতিন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, (প্রেসিডেন্ট) ভ্লাদিমির পুতিন রাশিয়ার আকাশে ঘটে যাওয়া দুঃখজনক ঘটনাটির জন্য দুঃখপ্রকাশ করেছেন। তিনি আবারও নিহতদের পরিবারগুলোর প্রতি গভীর ও আন্তরিক শোক প্রকাশ করেছেন এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।

শনিবারের আগ পর্যন্ত দুর্ঘটনাটির বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি ক্রেমলিন। তবে রাশিয়ার বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বলেছিল, ইউক্রেনীয় ড্রোনের হামলার কারণে ওই অঞ্চলের পরিস্থিতি ‘অত্যন্ত জটিল’ ছিল।

প্লেন চলাচল বিশেষজ্ঞসহ অন্যরা বিশ্বাস করেন, প্লেনের জিপিএস সিস্টেমগুলো বৈদ্যুতিক জ্যামিংয়ের কারণে প্রভাবিত হয় এবং পরে রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

প্লেনটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগে যাত্রীরা জোরালো শব্দ শুনেছিলেন। এ থেকে বোঝা যায়, প্লেনটিকে নিশানা করা হয়েছিল।

 

এই ঘটনার জন্য আজারবাইজান সরকার রাশিয়াকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়ী করেনি। তবে দেশটির পরিবহন মন্ত্রী বলেছেন, প্লেনটি ‘বহিরাগত হস্তক্ষেপ’-এর শিকার হয়েছিল।

 

সূত্র: বিবিসি