NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬ | ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আমাদের সামনে এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি মানবে সরকার ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিনদের সতর্কবার্তা নিউইয়র্কে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় নারী ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত শাটডাউন ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত, ৩৭০–৪৮ ভোটে বাজেট বিল পাস মার্কিন হাউসে ‘১৯৪৫-এর বিশ্বব্যবস্থা দিয়ে ২০২৬ চলবে না’: জাতিসংঘ সংস্কারের ডাক গুতেরেসের সাত মাসে শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ১৫ হাজার ৭১৭ জিডি শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা এসসিও সম্মেলনে শি-মোদি-পুতিন, আলোচনায় যেসব বিষয় ‘লেক অন্টারিও’-র নাম পাল্টে ‘লেক আমেরিকা’ রাখার নির্দেশ ট্রাম্পের
Logo
logo

সন্তান নিতে ভয়ের কারণ খুঁজতে চীনে সমীক্ষা


খবর   প্রকাশিত:  ১৯ অক্টোবর, ২০২৪, ০১:৫৫ এএম

সন্তান নিতে ভয়ের কারণ খুঁজতে চীনে সমীক্ষা

সন্তান লালনপালনের ওপর একটি একটি গবেষণা চালিয়েছে দেশটির জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন। চীনের নাগরিকদের মনোভাব এবং তাদের এ সংক্রান্ত কোনো ভয় আছে কিনা বুঝতে ৩০ হাজার মানুষের ওপর এ সমীক্ষা পরিচালনা করা হয়। চীন বর্তমানে শিশু জন্মের হার বাড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে সেই চেষ্টায় গতি আসছে না।

 

চীনে ২০২৩ সালে টানা দ্বিতীয় বছরের মতো জনসংখ্যা কমার তথ্য প্রকাশের পর তরুণ দম্পতিদের সন্তান জন্মদানে উৎসাহিত করার চেষ্টা করছে বেইজিং।
  
সমীক্ষায় চীনের ১৫০টি প্রদেশ এবং দেড় হাজার সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব থাকবে। চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের আওতায় থাকা দেশটির জনসংখ্যা এবং উন্নয়ণ গবেষণা কেন্দ্রের বরাতে রাষ্ট্র সমর্থিত সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমস এই তথ্য জানিয়েছে।

পত্রিকাটিতে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সমীক্ষার মাধ্যমে ‘সন্তান ইস্যুতে অনিচ্ছা এবং ভয়ের কারণ’ জানা যাবে।

এরপর সে অনুযায়ী সন্তান জন্মদানে সহায়তার পাশাপাশি অন্যান্য প্রণোদনা নির্ধারন করবে দেশটি।

 

চীনে এর আগে ২০২১ সালে দেশব্যাপী পরিবার এবং গর্ভধারণ সংক্রান্ত এক সমীক্ষা পরিচালনা করা হয়েছিল। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে জনসংখ্যা উন্নয়নের বিষয়টিকে প্রায়ই একটি শক্তিশালী এবং পুনরুজ্জীবিত চীনের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়।

চীনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা গত মাসে জানান, উপযুক্ত বয়সে বিয়ে এবং গর্ভধারনের বিষয়টিকে আরো এগিয়ে নিতে কাজ করবেন তারা।

এজন্য একটি দম্পতির মাঝে সন্তান লালনপালনের দায়িত্ব ভাগ করে নেয়ার দিকেও গুরুত্ব দিয়েছেন তারা।