NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ | ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নেপালের বন্যা জলবায়ু নিয়ে বিশ্বকে আরও সক্রিয় হওয়ার বার্তা দিচ্ছে: জিসিএফ প্রধান বাংলাদেশে প্রায় ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে: বিশ্বব্যাংক আমাদের সামনে এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি মানবে সরকার ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিনদের সতর্কবার্তা নিউইয়র্কে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় নারী ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত শাটডাউন ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত, ৩৭০–৪৮ ভোটে বাজেট বিল পাস মার্কিন হাউসে ‘১৯৪৫-এর বিশ্বব্যবস্থা দিয়ে ২০২৬ চলবে না’: জাতিসংঘ সংস্কারের ডাক গুতেরেসের সাত মাসে শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ১৫ হাজার ৭১৭ জিডি শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা
Logo
logo

বাংলাদেশকে ১০০ কোটি ইউরো সহায়তা দেবে জার্মানি


খবর   প্রকাশিত:  ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ০২:১১ এএম

বাংলাদেশকে ১০০ কোটি ইউরো সহায়তা দেবে জার্মানি

নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বাংলাদেশকে ১০০ কোটি ইউরো সহায়তা দেবে জার্মানি। আগামী ১০ বছরে দেশটি এই সহায়তা দেবে বলে ঘোষণা দিয়েছে। এর মধ্যে চলতি বছরেই ১৫ কোটি ইউরো দেওয়া হবে। 

মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এই তথ্য জানিয়েছেন।

 

তিনি জানান, বেসরকারি খাত, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, একাডেমিয়া এবং সুশীল সমাজের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা এবং প্রচারও সমন্বিতভাবে করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান মঙ্গলবার সচিবালয়ে জার্মান অ্যাম্বাসেডর আচিম ট্রস্টারের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে জার্মানিকে সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানান তিনি।

উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান জানান, এই সহযোগিতার মাধ্যমে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী, নারী এবং যুবকদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

এর মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় সাহায্য করবে বলে তার আশা।

 

জার্মান রাষ্ট্রদূত আচিম ট্রস্টার বাংলাদেশকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সহায়তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বাংলাদেশের পরিবেশ রক্ষার প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। তিনি নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জার্মানির দক্ষতা তুলে ধরেন এবং বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি উদ্যোগকে সমর্থন করার জন্য প্রযুক্তিগত সহায়তার প্রস্তাব দেন।

বৈঠকে নদী পরিষ্কার, পরিবেশ সুরক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তন প্রশমনে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়।

এছাড়া, টেকসই উন্নয়ন প্রকল্প, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি গ্রহণ এবং জলবায়ু-সম্পর্কিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

 

বৈঠকটি একটি পারস্পরিক চুক্তির মাধ্যমে শেষ হয়, যার মাধ্যমে প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং পরিবেশগত স্থায়িত্ব প্রকল্পে সহযোগিতার আরও উপায় খোঁজার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।