NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, জুন ২৪, ২০২৬ | ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
‘ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন এ শিপটিং গ্লোবাল ল্যান্ডস্ক্যাপ’ সেশনে অংশগ্রহণ উত্তর কোরিয়ার নৌবাহিনীকে পারমাণবিক অস্ত্রে সজ্জিত করার ঘোষণা কিম জং উনের পরমাণু পরিদর্শন ছাড়া চুক্তি নয়, ইরানকে ট্রাম্পের সতর্কতা রোনালদোর স্বরূপে ফেরার রাতে পর্তুগালের গোলোৎসব জন্মদিনে নেই শুভেচ্ছা, ইনস্টাগ্রামেও আনফলো! বিজয়-তৃষার সম্পর্ক কি শেষ? যৌথ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কমিটি গঠনে সম্মত বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া ইরানের তেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ, কে হচ্ছেন স্টারমারের উত্তরসূরি? হালান্ডের জোড়া গোলে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউটে নরওয়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে যে ৬ পাকিস্তানি নাটক
Logo
logo

লাইসেন্স ফিরে পেতে চায় সিটিসেল, বিটিআরসিকে চিঠি


খবর   প্রকাশিত:  ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ১০:৫২ পিএম

লাইসেন্স ফিরে পেতে চায় সিটিসেল, বিটিআরসিকে চিঠি

দেশের প্রথম মোবাইল ফোন অপারেটর সিটিসেল তাদের বাতিল হওয়া লাইসেন্স পুনর্বহালের জন্য টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কাছে চিঠি দিয়েছে। চিঠিতে প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে প্রথমে তাদের তরঙ্গ স্থগিত করা হয়। ২০১৬ সাল থেকে বন্ধ রয়েছে সিটিসেলের কার্যক্রম।

চিঠিতে সাবেক টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমকে দায়ী করেছে সিটিসেলের মালিক প্রতিষ্ঠান প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম।

এতে বলা হয়, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষের নয় এমন একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সিটিসেল যুক্ত ছিল, এমন ‘অযৌক্তিক ধারণা’ থেকে লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।

 

বিটিআরসি যদিও তখন জানিয়েছিল, ২১৮ কোটি টাকা বকেয়া পরিশোধ না করায় সিটিসেলের লাইসেন্স বাতিল করা হয়।

চিঠিতে বলা হয়, আমরা অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে গত আট বছরে সিটিসেলের মূল কম্পানি প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড (পিবিটিএল) বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) পক্ষপাতদুষ্ট, অপ্রীতিকর ও অসৎ উদ্দেশে নেওয়া সিদ্ধান্ত ও মূল্যায়নের শিকার হয়েছে।

চিঠিতে প্যাসিফিক টেলিকম জানায়, তরঙ্গ বন্ধ করায় গত ৮ বছরে ব্যাংক ঋণ, কর্মচারীদের বকেয়া, অবকাঠামোর ক্ষতি–সব মিলিয়ে তাদের প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা লোকসান হয়েছে।

৮ বছর কার্যক্রম বন্ধ থাকায় প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয় সম্ভব হয়নি। এতে সরকার প্রায় ৪৩০ কোটি টাকা কর ও ফি থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তারা এখন লাইসেন্স বাতিলের জন্য জারি করা পত্রের প্রত্যাহার চায়। পাশাপাশি প্রযুক্তি নিরপেক্ষ লাইসেন্স চায়, যাতে ৫জিও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
তারা এজন্য অর্থ পরিশোধ করবে, তবে তা রাজস্ব আদায়ের পর। 

 

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সাল থেকে বন্ধ রয়েছে সিটিসেলের কার্যক্রম। সময়মতো বকেয়া পরিশোধ করতে ব্যর্থ হওয়ায় ২০১৬ সালের অক্টোবরে নিয়ন্ত্রক সংস্থার একটি প্রযুক্তি দল ঢাকার মহাখালীতে সিটিসেলের প্রধান কার্যালয়ে যায় এবং কম্পানিটির নেটওয়ার্ক সুইচ বন্ধ করে দেয়।