NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, আগস্ট ৩১, ২০২৬ | ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল চুক্তি’ ঘোষণা ট্রাম্পের, ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ গুমের শিকার ও নিখোঁজদের নিয়ে জাতিসংঘের উদ্বেগ, ন্যায়বিচার নিশ্চিতের আহ্বান ট্রাম্পের হাতে আর্টেমিস-২ মহাকাশচারীদের কংগ্রেশনাল স্পেস মেডেল অব অনার শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী কিয়েভের একটি গুদামে রুশ ড্রোন হামলায় নিহত ২৭ নতুন আঞ্চলিক সমঝোতার পথ দেখাল ইরান শচীন-পন্টিংকে ছাড়িয়ে জো রুটের বিশ্বরেকর্ড প্রতারণার অভিযোগ ‘অযৌক্তিক’, দাবি সেলেনা গোমেজের জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান ট্রাম্পের 'নজিরবিহীন ঘোষণা'য় ভেনেজুয়েলার তেলক্ষেত্র যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে
Logo
logo

মার্কিন বিমানের কাছে ‘আগ্রাসী আচরণ’ চীনের যুদ্ধবিমানের


খবর   প্রকাশিত:  ২৭ মার্চ, ২০২৫, ০৩:৪১ এএম

মার্কিন বিমানের কাছে ‘আগ্রাসী আচরণ’ চীনের যুদ্ধবিমানের

দক্ষিণ চীন সাগরে আন্তর্জাতিক আকাশসীমায় প্রায় কাছাকাছি চলে এসেছিল যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের দু’টি বিমান।

যুক্তরাষ্ট্র মঙ্গলবার (৩০ মে) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, চীনের বিমান ‘অযথাই’ তাদের বিমানের সামনে ‘আগ্রাসী আচরণ’ করেছে।

ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিয়োজিত যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ড জানিয়েছে, গত সপ্তাহে দক্ষিণ চীন সাগরে উড়ছিল তাদের ইউএস আরসি-১৩৫ গোয়েন্দা বিমান। ওই সময় চীনের জে-১৬ যুদ্ধবিমান কাছাকাছি চলে আসে। চীনের বিমানটি এতটা কাছে চলে আসে যে, বিমানটির বাতাসের ঝটকা এসে মার্কিন বিমানটিতে আঘাত হানে।

ইউএস ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ডের প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের বিমানের নাকের কাছ দিয়ে চীনের বিমানটি যাচ্ছে এবং ওই সময় বাতাসের ঝটকায় মার্কিন বিমানটি কিছুটা কেঁপে উঠেছে।

তবে চীন দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে তাদের ওপর নজরদারি চালানোর চেষ্টা করছে। যা তাদের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ।

এ ব্যাপারে ওয়াশিংটনে অবস্থিত চীনের দূতাবাসের মুখপাত্র লিও পেংগিউ বলেছেন, ‘কাছ থেকে চীনের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি চালাতে যুক্তরাষ্ট্র প্রায়ই বিমান ও জাহাজ মোতায়েন করে। যা চীনের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অনেক বড় হুমকি।’ 

তিনি আরও বলেছেন, ‘এ ধরনের বিপজ্জনক উস্কানি ও চীনের ওপর দোষ চাপানো বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানায় চীন।’

দূতাবাসের এ মুখপাত্র আরও জানিয়েছেন, ‘দক্ষিণ চীন সাগরে নিজস্ব নিরাপত্তা, অখণ্ডতা ও সার্বভৌমতা নিশ্চিতে চীন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেই যাবে।’