যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। শুক্রবারের (৩ জুলাই) এই ফোনালাপে দুই নেতা অদূর ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে সশরীরে সাক্ষাৎ করতে সম্মত হয়েছেন বলে নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে নেতানিয়াহু ওয়াশিংটনে যাননি। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্কে নানা টানাপোড়েন চললেও, এই ফোনকলের মাধ্যমে বরফ গলতে শুরু করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফোনালাপে নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রকে ‘বৈশ্বিক স্বাধীনতার রক্ষাকর্তা’ হিসেবে অভিহিত করেন এবং দুই দেশের মধ্যকার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেন। অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্প্রতি এক পডকাস্টে নেতানিয়াহুর সাথে তার সম্পর্ক ভালো দাবি করে বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে খুব ভালো কাজ করেছি।
গত ১ জুন লেবাননে হামলার জন্য নেতানিয়াহুকে ‘পুরোপুরি পাগল’ বলেছিলেন ট্রাম্প। একটি মার্কিন সূত্র অনুযায়ী, ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে সতর্ক করে বলেছিলেন যে ট্রাম্প পাশে না থাকলে নেতানিয়াহু জেলে থাকতেন এবং তার কারণেই সবাই এখন ইসরায়েলকে ঘৃণা করছে।
এদিকে, গত বৃহস্পতিবার নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনকে সম্পূর্ণ ‘ভুয়া খবর’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন নেতানিয়াহু।
আঞ্চলিক সূত্রগুলোর মতে, গত ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে প্রথম দফার আলোচনার সময় ইরানি প্রতিনিধিদল নিরাপত্তার অভাব বোধ করছিল, তবে ওয়াশিংটনের আশ্বাসে তারা আশ্বস্ত হয়। শুক্রবারের এই সর্বশেষ ফোনালাপ নিয়ে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য বা বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করা হয়নি। তবে একজন ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পূর্বের মতবিরোধ সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পর্ক এখনও অত্যন্ত শক্তিশালী রয়েছে।


