NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, জুন ১৪, ২০২৬ | ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প? বেলফাস্টে ঘরবন্দি ৫ হাজার বাংলাদেশি নোরা ফাতেহির সঙ্গে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয়, ছবিতে ছবিতে কানাডায় বিশ্বকাপের উদ্বোধন রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করলেন কোয়েল মল্লিক সেন্ট্রাল পার্কে বিশ্বকাপ উন্মাদনা, বিনামূল্যে ফাইনাল দেখাবে নিউইয়র্কবাসী বাংলাদেশ ও জার্মানি শক্তিশালী বাণিজ্য ও কৌশলগত সম্পর্ক চায় বেলফাস্টে অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভ, যানবাহনে আগুন ভিসা জালিয়াতির দায়ে মার্কিন নাগরিকত্ব হারাচ্ছেন ভারতীয় সিইও বদলি নেমেই পেনাল্টি থেকে গোল মেসির, বড় জয় আর্জেন্টিনার
Logo
logo

তুরস্ক-সিরিয়ায় ভূমিকম্প ৫২ ঘণ্টা পর নাটকীয়ভাবে উদ্ধার ৮ বছরের শিশু


খবর   প্রকাশিত:  ০৫ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৯:১০ এএম

>
তুরস্ক-সিরিয়ায় ভূমিকম্প ৫২ ঘণ্টা পর নাটকীয়ভাবে উদ্ধার ৮ বছরের শিশু

ভূমিকম্পে ধসে যাওয়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ৮ বছর বয়সী এক শিশুকে নাটকীয়ভাবে উদ্ধারের পর তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছেন তুরস্কের উদ্ধারকারীরা। এই উদ্ধার তৎপরতা সিরিজ ছবি তুলেছেন গেটি ইমেজের এক আলোকচিত্রী; যেখানে ফুটে উঠেছে মায়ের কোলে ফিরতে মরিয়া এই শিশুর আকুতি।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন বলছে, প্রথম ভূমিকম্প আঘাত হানার ৫২ ঘণ্টা পর তুরস্কের হাতায়ে শহরের ধ্বংসস্তূপ থেকে ৮ বছর বয়সী শিশু ইয়াজিত চাকমাক-কে উদ্ধার করা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে তাকে যখন বের করে আনা হয়, তখন তার চোখ-মুখে ধরা পড়ে আতঙ্ক আর পরিবারের সাথে মিলিত হওয়ার আকুতি।

dhakapost
তুরস্কের হাতায়ে শহরের ধসে যাওয়া ভবন থেকে শিশু ইয়াজিতকে বের করে আনছেন এক উদ্ধারকর্মী

গেটি ইমেজের আলোকচিত্রী বুরাক কারা ওই শিশুকে নাটকীয়ভাবে উদ্ধারের সিরিজ ছবি তুলেছেন। ছবিতে ধ্বংসস্তূপ থেকে ইয়াজিতকে উদ্ধার এবং তারপর তার মায়ের কাছে তুলে দেওয়া পর্যন্ত দৃশ্য কতটা রোমহর্ষক ছিল তা পরিষ্কার ফুটে উঠেছে।

dhakapost
ধ্বংসস্তূপ থেকে একজন থেকে আরেকজন উদ্ধারকারীর হাত বদল করে মায়ের কাছে নেওয়া নেওয়া হচ্ছে ইয়াজিত চাকমাককে

শিশুটিকে ভবনের ধ্বংসাবশেষ থেকে বের করার পর একজন একজন করে উদ্ধারকর্মীর কাঁধ হয়ে তার মায়ের কোলে গিয়ে পৌঁছায়। ইয়াজিতকে উদ্ধারের সময় তার মা ভবনের ধ্বংসাবশেষের কাছে সন্তানকে জীবিত উদ্ধারের আশায় অপেক্ষার প্রহর গুনছিলেন।