NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, জুন ৩০, ২০২৬ | ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
২০৩৮ সালে ৬৪ দলের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র: হোয়াইট হাউসের বড় ঘোষণা ২৯ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি তদন্তের দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্র বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগের ঘোষণা সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টের ‘ধর্মীয় অবমাননা’র অভিযোগ, ১৫ দিন সম্প্রচার বন্ধ জিও নিউজের মরক্কোর বিস্ময়বালককে নিয়ে ইউরোপ জায়ান্টদের কাড়াকাড়ি ডেটিং অ্যাপে সঙ্গী খুঁজছেন রাকুল প্রীতের স্বামী? মালয়েশিয়া ও চীন সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি: সংসদে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের পথ সামনে খুলবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‘সিয়াকেও লোহাগড় দুর্গ থেকে ফেলে দেওয়া হোক’
Logo
logo

আ. লীগ সরকার আসার পর ক্যাম্পাসে অস্ত্রের ঝনঝনানি নেই : প্রধানমন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০৩:১৮ পিএম

আ. লীগ সরকার আসার পর ক্যাম্পাসে অস্ত্রের ঝনঝনানি নেই : প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা: দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উন্নয়ন ও কল্যাণমূলক কাজ পরিচালনায় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে নিজস্ব তহবিল গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের দেশের উপযোগী করে গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের আরো মনোযোগী ও দায়িত্বশীল হওয়ার তাগিদও দিয়েছেন তিনি।

আজ বৃহস্পতিবার গণভবনে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরদের সমন্বয়ে গঠিত ‘বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ’ এর স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পড়ালেখার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের দেশের উন্নয়নে কাজের উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত মেধাবী, তাদের একটু সুযোগ করে দিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ালেখা শেষ করে বিদেশ থেকেও তারা উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে আসতে পারে।

সরকার প্রধান বলেন, এক সময় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অস্ত্রের ঝনঝনানি ছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর অস্ত্রের ঝনঝনানি নেই এবং দেশে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদকে কঠোর হস্তে দমন করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই দেশে শিক্ষার হার বাড়ে। এই সরকার শিক্ষা, গবেষণা, উৎপাদন ও উৎকর্ষের পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্ব দিয়েছে।

অনুষ্ঠানে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী মনোযোগ দিয়ে সেগুলো শোনেন এবং তা সমাধানের আশ্বাস দেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের ৪৮টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।