NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, আগস্ট ১৪, ২০২৬ | ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা, সতর্ক করল জাতিসংঘ দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসিতে জমা পড়েছে তিন মনোনয়নিপত্র বিএনপির মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ মির্জা ফখরুলের, রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা বেলুচিস্তানের স্বাধীনতা দিবস পালন: বিশ্বমঞ্চে সার্বভৌমত্বের জোরালো স্বীকৃতি দাবি বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্বারোপ হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারির পদ ছাড়ছেন ক্যারোলিন লেভিট তুরস্কে ট্রাম্পের অবস্থান জানত ইরান, ছিল বিমানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরিকল্পনা প্রথম সেশনেই ৪ উইকেট শিকার বাংলাদেশের, চাপে অস্ট্রেলিয়া
Logo
logo

স্বাধীনতাবিরোধীদের রাজনীতি করার সুযোগ দেয় জিয়া : প্রধানমন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ০৪ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০২:৩৯ পিএম

স্বাধীনতাবিরোধীদের রাজনীতি করার সুযোগ দেয় জিয়া : প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পঁচাত্তরের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর অবৈধভাবে ক্ষমতার পালাবদলের মাধ্যমে বিচারের পথ বন্ধ করা হয়। রাজনীতির সুযোগ দেওয়া হয় স্বাধীনতাবিরোধীদের। আমরা ক্ষমতায় আসার পর সব রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের বিচার করেছি।

আজ শুক্রবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের জাতীয় সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

 

 

শেখ হাসিনা বলেন, এখনো কিছু খুনির শাস্তি নিশ্চিত হয়নি। একজন খুনি আমেরিকায়, আরেকজন কানাডায়, দুজন পাকিস্তানে। আরেকজনের হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। আমেরিকা একজন খুনিকে লালন-পালন করছে। অবশ্য আমেরিকার আচরণই এ রকম। তার পরও আমাদের প্রচেষ্টা আছে, তাদের ধরে এনে যেভাবেই হোক শাস্তি নিশ্চিত করব। এটাই আমি চাই।

তিনি বলেন, পঁচাত্তরের হত্যাকাণ্ডের পরই ইতিহাস বিকৃতি শুরু হয়। বঙ্গবন্ধুর নাম-নিশানা মুছে ফেলার চেষ্টা হয়। বঙ্গবন্ধুর ভাষণ ও জয় বাংলা স্লোগানও নিষিদ্ধ হয়ে যায়। অবৈধভাবে হত্যা-ক্যু-ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে ক্ষমতা দখলের অপচেষ্টা হয়। জাতির পিতার করে দেওয়া সংবিধানও ক্ষত-বিক্ষত করা হয়।

তিনি আরো বলেন, স্বাধীনতাবিরোধীদের ভোটের অধিকার ছিল না। জিয়াউর রহমান তাদের ভোটের অধিকার ও রাজনীতি করার সুযোগ দেন। জাতির পিতার হত্যাকারীদেরও বিচারের হাত থেকে রেহাই দেওয়া হয়েছিল।

এর আগে বিকেল তিনটায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত সম্মেলনে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর বেলুন ও পতাকা উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরও উপস্থিত ছিলেন।