NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, আগস্ট ১৪, ২০২৬ | ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা, সতর্ক করল জাতিসংঘ দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসিতে জমা পড়েছে তিন মনোনয়নিপত্র বিএনপির মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ মির্জা ফখরুলের, রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা বেলুচিস্তানের স্বাধীনতা দিবস পালন: বিশ্বমঞ্চে সার্বভৌমত্বের জোরালো স্বীকৃতি দাবি বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্বারোপ হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারির পদ ছাড়ছেন ক্যারোলিন লেভিট তুরস্কে ট্রাম্পের অবস্থান জানত ইরান, ছিল বিমানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরিকল্পনা প্রথম সেশনেই ৪ উইকেট শিকার বাংলাদেশের, চাপে অস্ট্রেলিয়া
Logo
logo

ফরিদপুরের উপ-নির্বাচনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না : ইসি আলমগীর


খবর   প্রকাশিত:  ২০ এপ্রিল, ২০২৫, ০১:৩৫ পিএম

>
ফরিদপুরের উপ-নির্বাচনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না : ইসি আলমগীর

ফরিদুপেরর উপ-নির্বাচনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর। তিনি বলেছেন, যেখানে মেয়াদ বেশি থাকে, শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী থাকে, স্বাভাবিকভাবেই সেখানে ভোটারদের উপস্থিতি বেশি থাকে। ফরিদপুর-২ আসনের উপ-নির্বাচনে ২৬ দশমিক ২৪ শতাংশ ভোট পড়েছে।

রোববার (৬ নভেম্বর) নির্বাচন ভবনের নিজ দপ্তরে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এমন মন্তব্য করেন।

গত ৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ফরিদপুর-২ আসনের উপ-নির্বাচনে ২৬ দশমিক ২৪ শতাংশ ভোট পড়ার বিষয় সম্পর্কে জানতে চাইলে সাবেক এই ইসি সচিব বলেন, ‘যেহেতু সাধারণ নির্বাচনের আর অল্প সময় আছে, তাই স্বাভাবিকভাবেই ভোটাররা মনে করেন যে, এখানে তো সরকারের কোনো পরিবর্তন হবে না। আর যিনি নির্বাচিত হবেন, তিনিও কাজ করার তেমন একটা সময় পাবেন না। তাই ভোটারদের আগ্রহ কম। প্রার্থীদেরও তেমন আগ্রহ নেই।’

 

তিনি বলেন, ‘ফরিদপুরের ক্ষেত্রে তো তেমন কোনো প্রার্থী বেশি ছিলেন না। মাত্র দুইজন ছিলেন। এ কারণেও নির্বাচনে যে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী সেটা ছিল না। আপনারা কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও দেখবেন যে, শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল। সেখানে কিন্তু ভোটের হার অনেক বেশি ছিল। পৌরসভাতে ভোটের হার অনেক বেশি ছিল। কারণ সেখানে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছে। সেখানে পাঁচ বছরের জন্য মেয়াদ। স্বাভাবিকভাবেই যেখানে মেয়াদ বেশি থাকে, শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী থাকে, এজন্য সেখানে ভোটার উপস্থিতি বেশি থাকে। এটিই আমরা মনে করি। হয়তো গবেষণা করলে সঠিকটা বোঝা যাবে।’

সাংবাদিকদের অন্য এক প্রশ্নের জবাবে মো. আলমগীর বলেন, ‘ভোটার উপস্থিতি কম থাকা মানে আশঙ্কাজনক বলা যাবে না। আমাদের দেশের সংবিধান অনুযায়ী ভোটের যে আইন কত শতাংশ ভোট পড়তে হবে এই ধরনের কোনো শর্ত নেই। এতো শতাংশ ভোট পড়লে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য বা অগ্রহণযোগ্য বলবেন এটা বলার সুযোগ নেই। কিছু কিছু দেশে আছে, যে একটা ব্যাপক ব্যবধান থাকতে হবে। আমাদের দেশে যেহেতু ওটা নাই। অতএব ভোট যদি শান্তিপূর্ণ হয় এবং নিয়মমতো হয়, কোনো অনিয়ম না হয়; সমস্ত নিয়মকানুন যদি ফলো করে তাহলে অবশ্যই গ্রহণযোগ্য ভোট বলতে হবে।’