NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, আগস্ট ১৪, ২০২৬ | ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা, সতর্ক করল জাতিসংঘ দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসিতে জমা পড়েছে তিন মনোনয়নিপত্র বিএনপির মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ মির্জা ফখরুলের, রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা বেলুচিস্তানের স্বাধীনতা দিবস পালন: বিশ্বমঞ্চে সার্বভৌমত্বের জোরালো স্বীকৃতি দাবি বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্বারোপ হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারির পদ ছাড়ছেন ক্যারোলিন লেভিট তুরস্কে ট্রাম্পের অবস্থান জানত ইরান, ছিল বিমানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরিকল্পনা প্রথম সেশনেই ৪ উইকেট শিকার বাংলাদেশের, চাপে অস্ট্রেলিয়া
Logo
logo

সিসি ক্যামেরার সামনে মোটরসাইকেল রাখার অনুরোধ ডিবির


খবর   প্রকাশিত:  ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৭:০১ এএম

>
সিসি ক্যামেরার সামনে মোটরসাইকেল রাখার অনুরোধ ডিবির

চুরি ঠেকাতে সিসিটিভি ক্যামেরা যেখানে সেখানে মোটরসাইকেল রাখার অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

শুক্রবার (২১ অক্টোবর) চাঁদপুর, নোয়াখালী, মুন্সিগঞ্জ জেলায় অভিযান চালিয়ে ১৩টি চোরাই মোটরসাইকেলসহ এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি গুলশান বিভাগ।

গ্রেপ্তাররা হলেন- মো. খালেক হাওলাদার ওরফে সাগর আহম্মেদ (৪৮) ও মো. জিসান আহমেদ ওরফে সম্রাট (২২)। গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ১৩টি চোরাই মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।

শনিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্য প্রযুক্তি সহায়তায় মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্য মো. খালেককে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার খালেকের নামে এ পর্যন্ত ১৫টি মামলা হয়েছে বিভিন্ন থানায়। তিনি গত আট বছরে ৫০০-৭০০ মোটরসাইকেল ঢাকা থেকে চুরি করে চাঁদপুর, নোয়াখালী, মুন্সিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন লোকের কাছে বিক্রি করেছেন। গ্রেপ্তাররা ঢাকার বিভিন্ন এলাকার রাস্তায় পার্কিংয়ে থাকা মোটরসাইকেল কৌশলে মাস্টার চাবি দিয়ে খুলে নিয়ে যায়।

ডিবি প্রধান বলেন, আমাদের অনুরোধ, যারা মোটরসাইকেল চালান তারা যেন মোটরসাইকেল পার্কিংয়ের সময় একটু লোকালয় দেখে বা সিসিটিভি ক্যামেরা আছে ওইসব এলাকায় পার্কিং করেন। তাহলে মোটরসাইকেল চুরি কিছুটা রোধ করা যাবে। সিসিটিভি আছে এমন জায়গায় এলাকায় মোটরসাইকেল চুরি হলেও আমরা ফুটেজ দেখে পরবর্তীতে তা বের করে ফেলতে পারব। আর যারা মফস্বল এলাকা থেকে মোটরসাইকেল কেনেন, তারা কেনার আগে কাগজপত্র বিআরটিএ থেকে যাচাই করে কিনবেন।

অন্যথায় যারা চোরাই মোটরসাইকেল কিনবেন বা যার বাসা থেকে উদ্ধার হবে তারাও সেই চোরাই মামলার আসামি হবেন। যেসব মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে- সেগুলোর সঠিক কাগজ নিয়ে আসবেন আমরা যাচাই করে গাড়ি ফেরত দিয়ে দেব।