NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১৩, ২০২৬ | ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসিতে জমা পড়েছে তিন মনোনয়নিপত্র বিএনপির মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ মির্জা ফখরুলের, রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা বেলুচিস্তানের স্বাধীনতা দিবস পালন: বিশ্বমঞ্চে সার্বভৌমত্বের জোরালো স্বীকৃতি দাবি বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্বারোপ হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারির পদ ছাড়ছেন ক্যারোলিন লেভিট তুরস্কে ট্রাম্পের অবস্থান জানত ইরান, ছিল বিমানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরিকল্পনা প্রথম সেশনেই ৪ উইকেট শিকার বাংলাদেশের, চাপে অস্ট্রেলিয়া ডন-সামিরার সেই ‘অন্তরঙ্গ’ ছবির নেপথ্যে কী?
Logo
logo

সিআইআই নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই : আইনমন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ০৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫, ০১:০১ এএম

সিআইআই নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই : আইনমন্ত্রী

ঢাকা: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় সরকার যে ২৯টি প্রতিষ্ঠানকে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো (সিআইআই)’ হিসেবে ঘোষণা করেছে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই বলে মনে করেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।  এ নিয়ে আগামী দুই-তিনদিনের মধ্যে ব্যাখ্যা তুলে ধরবেন বলেও জানান তিনি।

আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে সহকারী জজদের প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নে এ কথা বলেন আইনমন্ত্রী।

‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো' নিয়ে বিভিন্ন মহলের সমালোচনা তুলে ধরে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এ নিয়ে সঠিক ব্যাখ্যা আমি আপনাদের কাছে তুলে ধরব দুই-তিন দিনের মধ্যেই।

 

আমি বারবারই বলে আসছি এবং মনেও করি যে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করাই হয়েছে শুধু সাইবার অপরাধ ঠেকাতে। অন্য উদ্দেশ্যে যদি করা হতো তাহলে কিন্তু এটা সংবিধানের পরিপন্থি হতো। ’

 

আইনটির অপব্যবহারের অভিযোগ নিয়ে আনিসুল হক বলেন, ‘আমি এটা অস্বীকার করি না যে একটা সময় এটার (ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের) মিসইউজ এবং অ্যাবিউজ আমরা দেখতে পেয়েছি। মিসইউজ এবং অ্যাবিউজ যখন আমরা দেখতে পেয়েছি, তখন কিন্তু আমরা হাত গুটিয়ে বসে থাকি নাই। মিসইউজ এবং অ্যাবিউজ কিভাবে বন্ধ করতে হয় সে ব্যপারে আলাপ-আলোচনা, গবেষণা আমরা করছি এবং এটা (আলোচনা-গবেষণা) এখনো চলমান। ’

আইনটির ব্যবহারে উন্নতি হয়েছে দাবি করে আইনমন্ত্রী আরো বলেন, ‘এখন মামলা হলেই কিন্তু কাউকে গ্রেপ্তার করা হয় না। মামলা হলেই যে সেটা গ্রহণ করা হয় সেটা কিন্তু হয় না। এটা মিসইউজ এবং অ্যাবিউজের বিষয়ে পদক্ষেপের প্রতিফলন। বিশেষ করে সংবাদ মাধ্যমের যারা কর্মকর্তা তাদের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ব্যপারে ভীত হওয়ার কোনো কারণ নেই । ’

তথ্য পরিকাঠামো হলো কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্ক, যেখানে তথ্য সংরক্ষণ করা হয়। সে তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় সরকারি ২৯টি প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো ঘোষণা করে সরকার। গত ২১ সেপ্টেম্বর এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ।

পরে আইসিটি বিভাগের ওয়েবসাইটে গত ২৬ সেপ্টেম্বর প্রজ্ঞাপনটি প্রকাশ করা হয়। প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পর ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো' এর তালিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দুর্নীতি বিরোধী আন্তর্জাতিক সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ –টিআইবি। এর পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল রবিবার সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ ব্যাখ্যাও দেয়।

তবে এ ব্যাখ্যায় ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো’ ঘোষণায় অস্পষ্টতা কাটেনি উল্লেখ করে প্রজ্ঞাপনটি সংশোধনের আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি।