বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, দীর্ঘ ১১ বছর পর মূল্যস্ফীতির বিবেচনায় সরকারি কর্মচারীদের বেতন সমন্বয় যৌক্তিক। ধাপে ধাপে আগামী বছরের জুলাই পর্যন্ত পে স্কেল বাস্তবায়ন করা হবে, তাই বাজারে হঠাৎ বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধি বা বৈষম্যের সুযোগ নেই।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মহাখালীতে বাংলাদেশের চামড়া খাতের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘দীর্ঘ সময় ধরে সরকারি কর্মচারীদের বেতন সমন্বয় না হওয়ায় বর্তমান জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে তাদের আয়েও চাপ তৈরি হয়েছে। ধাপে ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়ন হওয়ায় একবারে বড় অঙ্কের অতিরিক্ত অর্থ বাজারে প্রবাহিত হওয়ার সুযোগ থাকবে না। এ কারণে পে স্কেলকে কেন্দ্র করে পণ্যের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও নেই।
তিনি জানান, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে শুধু সরকারি কর্মচারীদের বেতন নয়, বাজারে পণ্যের সরবরাহ, আমদানি পরিস্থিতি, উৎপাদন ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দামের বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ। সরকার এসব বিষয় সমন্বিতভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
ভোজ্যতেলের দাম প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সয়াবিন তেল পুরোপুরি আমদানিনির্ভর। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে বা কমলে দেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়ে।
’
টিসিবির মাধ্যমে প্রতি মাসে প্রায় ৭৮ লাখ পরিবারকে ভর্তুকি মূল্যে নিত্যপণ্য দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দুই ঈদে খোলা ট্রাকে পণ্য বিক্রির পাশাপাশি খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়মিত ওএমএস কার্যক্রমও চলছে। একই সঙ্গে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হচ্ছে কি না, তা নজরদারি করা হচ্ছে।’