সপরিবারে হত্যার শিকার শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ডান পাশে টিনের একটি ঘরে থাকতেন গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস। আর গ্রেপ্তার মুগ্ধের বাড়ি গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ি থেকে প্রায় ১০০ মিটার দূরে।
খবর প্রকাশিত: ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৮ এএম

সপরিবারে হত্যার শিকার শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ডান পাশে টিনের একটি ঘরে থাকতেন গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস। আর গ্রেপ্তার মুগ্ধের বাড়ি গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ি থেকে প্রায় ১০০ মিটার দূরে।
পরিবারের সদস্যরা বলছেন, শুধু দুজনের পক্ষে এত বড় ঘটনা ঘটানো সম্ভব কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে এলাকায় মাদককারবারি ও মাদকের বিস্তার বন্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ চান তারা।
গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাসের মা পাপড়ি দাস বলেন, ‘মাদক ব্যবসা যারা করে, তাদের ধরতে হবে। যাতে তারা ভালো হয়।
পাপড়ি দাস বলেন, ‘এলাকায় মাদকের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলে এ ধরনের অপরাধ কমবে।
[[
অন্যদিকে গ্রেপ্তার মুগ্ধের মা সেনা রানী দাস বলেন, ‘শুক্রবার ঘুম থেকে উঠে দেখি মুগ্ধ বাড়িতে হাঁটাহাঁটি করছে। সে বাড়িতে এসে খাবারও খায়নি। শুধু হাঁটাহাঁটি করছিল। একটা কথাই চিন্তা করছি—দুজন মিলে কি এত বড় ঘটনা ঘটাতে পারে?’
রানী দাস আরো বলেন, ‘ঘটনার প্রকৃত কারণ কী এবং এর সঙ্গে আরো কেউ জড়িত কি না, তা তদন্ত করে বের করা প্রয়োজন।’
[[
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নিহত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির আশপাশেই বসবাস করতেন গ্রেপ্তার ওই দুই তরুণ। ফলে ঘটনার পর তাদের বাড়ি ও আশপাশের এলাকা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা চলছে।
প্রসঙ্গত, গত ২২ আগস্ট সন্ধ্যায় রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার তালাবদ্ধ একটি বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (প্রার্থী) ও ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
ঘটনার ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং দুজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুজন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
এদিকে চারজনকে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন রংপুর জিলা স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় রংপুর কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়েছে।