NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, আগস্ট ২, ২০২৬ | ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
সরকার-ব্যবসায়ীদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী অভিবাসী সংকটে স্পেনের সঙ্গে ‘শেনজেন চুক্তি’ স্থগিত করল ইতালি ইরানের ওপর হামলা আপাতত স্থগিত : ট্রাম্প বিশ্বকাপের কষ্ট ভুলে মাঠে ফিরলেন মেসি, কাসেমিরোর আত্মঘাতী গোল ‘এন্ডগেম’কে পেছনে ফেলে প্রিভিউ আয়ে শীর্ষে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ থ্যালাসেমিয়া শনাক্তে গ্রাম পর্যন্ত স্ক্রিনিং চালুর আহ্বান জুবাইদা রহমানের আজ থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক স্পেনের অভিবাসন সংকট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা গাজার প্রস্তাবিত শান্তিচুক্তিকে স্বাগত জানাল ইউরোপীয় ইউনিয়ন গ্র্যামি থেকে সরে দাঁড়ানো নিয়ে বিতর্ক, কেন এমন সিদ্ধান্ত নিল বিটিএস?
Logo
logo

ফ্রান্সে তীব্র তাপপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত, প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৪০ জন


খবর   প্রকাশিত:  ২৪ জুন, ২০২৬, ০৯:০৬ এএম

ফ্রান্সে তীব্র তাপপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত, প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৪০ জন

ফ্রান্সে চলমান তীব্র তাপপ্রবাহ জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। প্রচণ্ড গরম থেকে স্বস্তি পেতে নদী, হ্রদ ও অনিরাপদ জলাশয়ে নামতে গিয়ে দেশটিতে অন্তত ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

 

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত কয়েকদিনে এসব দুর্ঘটনা ঘটেছে; যার বেশিরভাগই সাঁতার কাটতে গিয়ে ডুবে যাওয়ার ঘটনা।


 

আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ফ্রান্সের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠেছে। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর যে দেশের অর্ধেকের বেশি এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা বা রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। রাজধানী প্যারিসসহ বড় শহরগুলোতে দিনের পাশাপাশি রাতের তাপমাত্রাও স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি থাকছে।

 

এই পরিস্থিতিতে সরকার নাগরিকদের প্রতি কঠোর সতর্কতা জারি করেছে। বিশেষ করে অনুমোদনহীন নদী, খাল ও হ্রদে সাঁতার না কাটতে বারবার অনুরোধ জানানো হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রচণ্ড গরমে দ্রুত ঠান্ডা হওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে অনেকেই ঝুঁকিপূর্ণ পানিতে নামছেন এবং এতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।


 

তাপপ্রবাহের কারণে দেশজুড়ে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।

বিভিন্ন এলাকায় স্কুলের সময়সূচি পরিবর্তন করা হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে বন্ধও রাখা হয়েছে। গণপরিবহন ও রেল চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছে। হাসপাতাল ও জরুরি সেবাকেন্দ্রগুলোতে হিটস্ট্রোক ও পানিশূন্যতায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই তাপপ্রবাহ কেবল একটি মৌসুমি ঘটনা নয়। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এমন পরিস্থিতি আরো ঘন ঘন দেখা দিচ্ছে।

আফ্রিকা থেকে আসা উষ্ণ বায়ু ইউরোপের ওপর আটকে থাকায় তাপমাত্রা দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।

 


 

ফ্রান্সে বসবাসরত অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য পরিস্থিতি আরো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নির্মাণ, রেস্টুরেন্ট, ডেলিভারি ও পরিচ্ছন্নতা খাতে কর্মরত অনেকেই খোলা আকাশের নিচে কাজ করছেন। এতে হিটস্ট্রোকসহ নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। সব মিলিয়ে ফ্রান্সে চলমান তাপপ্রবাহ এখন শুধু আবহাওয়ার সংকট নয় বরং একটি বড় জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।