NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, আগস্ট ২৫, ২০২৬ | ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে বিশ্বমঞ্চে শাড়ির প্রচার: ‘শাড়ি গোজ গ্লোবাল’ ট্রাম্প প্রশাসন ছাড়ছেন প্রেস সেক্রেটারি কারোলিন লেভিট জাতিসংঘের মহাসচিব পদের দৌড়ে দ্বিতীয় দফায় এগিয়ে রদ্রিগেস-বিরকেট প্রধানমন্ত্রীর হাতে যোগদানপত্র তুলে দিলেন জহির উদ্দিন স্বপন গ্রেপ্তার ২ তরুণের পরিবারেরও প্রশ্ন—‘দুজন মিলে কি এত বড় ঘটনা ঘটাতে পারে?’ নতুন আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সিজেপির, আজ বৈঠক প্রিন্সেস ডায়ানার জীবন নিয়ে বই লিখছেন ভাই চার্লস স্পেন্সার বক্স অফিসে দারুণ আয় দিয়ে শুরু হলো নতুন ‘ইনসিডিয়াস’ রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধিদল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
Logo
logo

ট্রাম্প-বিরোধী বিক্ষোভ মামলার প্রসিকিউটরের ৬ মাসের স্থগিতাদেশের সুপারিশ


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ জুন, ২০২৬, ০৯:০৬ এএম

ট্রাম্প-বিরোধী বিক্ষোভ মামলার প্রসিকিউটরের ৬ মাসের স্থগিতাদেশের সুপারিশ

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ফেডারেল প্রসিকিউটর জেনিফার কার্কহফ মুইসকেনসকে ৬ মাসের জন্য আইন পেশা থেকে বরখাস্ত করার সুপারিশ করেছে ওয়াশিংটনের ডিসি বোর্ড অন প্রফেশনাল রেসপন্সিবিলিটি। ২০১৭ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম অভিষেক অনুষ্ঠানের সময় বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে মামলায় তিনি ইচ্ছেকৃতভাবে সম্পাদিত (এডিটেড) বা কাটছাঁট করা ভিডিও প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন—এমন অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সুপারিশ করা হয়েছে।

 

এর আগে ডিসি বোর্ডের একটি কমিটি মুইসকেনসকে তিন মাসের জন্য স্থগিতাদেশ দেওয়ার প্রস্তাব করেছিল। তবে বোর্ডের ১০৫ পৃষ্ঠার চূড়ান্ত সুপারিশে বলা হয়েছে, আগের শাস্তিটি অত্যন্ত নমনীয় ছিল। মুইসকেনসের আচরণকে ‘জঘন্য, ইচ্ছাকৃত ও ধারাবাহিক’ আখ্যা দিয়ে শাস্তি বাড়িয়ে ৬ মাস করার সুপারিশ করা হয়। এখন মামলাটি ডিসি আপিল আদালতে যাবে, যা আইনজীবীদের শাস্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

 

২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি ট্রাম্পের অভিষেকের সময় ওয়াশিংটনে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। বিক্ষোভকারীরা ভাঙচুর ও পুলিশের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হলে ২০০ জনেরও বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়। মুইসকেনস ছিলেন এই মামলার প্রধান প্রসিকিউটর। মুইসকেনসের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ‘প্রজেক্ট ভেরিটাস’ (একটি রক্ষণশীল গোষ্ঠী) এর তৈরি করা গোপন ভিডিওর এমন কিছু অংশ কেটে বাদ দিয়েছিলেন, যেখানে দেখা যাচ্ছিল বিক্ষোভকারীরা একে অপরকে শান্ত থাকতে এবং অহিংস আন্দোলন করতে অনুরোধ করছে।

এই অংশগুলো বাদ দেওয়ার ফলে আদালতকে বোঝানো সহজ হয়েছিল যে বিক্ষোভকারীরা পরিকল্পিতভাবে দাঙ্গা করতে চেয়েছিল।

 

বোর্ড জানিয়েছে, মুইসকেনস নির্দোষ প্রমাণ করার মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করার জন্য পরিকল্পিত এবং অসদুপায় অবলম্বন করেছিলেন। এই ঘটনার পর ২০১৭ সালের ডিসেম্বরের দিকে ২০ জন বিক্ষোভকারী নিজেদের দোষ স্বীকার করেন, ৬ জন খালাস পান এবং প্রায় ১০০ জনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেয় ফেডারেল প্রসিকিউটররা।

অন্যদিকে, মুইসকেনস শুরু থেকেই কোনো ধরনের অন্যায় করার কথা অস্বীকার করে আসছেন। গত বছর তিনি দাবি করেছিলেন যে তিনি কোনো মিথ্যাচার বা ইচ্ছাকৃত অসদাচরণ করেননি।

তবে এই শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগের কারণে তিনি উটাহ-এর ফেডারেল প্রসিকিউটরের পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং বর্তমানে আইন পেশা ছেড়ে দিয়েছেন। তার আইনজীবী বা ডিসি বারের প্রধান শৃঙ্খলা পরামর্শ কার্যালয় এ বিষয়ে নতুন করে কোনো মন্তব্য করেনি।

 

সূত্র : রয়টার্স