NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, জুন ১৪, ২০২৬ | ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব মরক্কোর সঙ্গে ড্র, হতাশায় ‘হেক্সা অভিযান’ শুরু ব্রাজিলের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এক টুকরো বাংলাদেশ! গানে গানে সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শ্রদ্ধা, দেওয়া হলো সংবর্ধনা কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প? বেলফাস্টে ঘরবন্দি ৫ হাজার বাংলাদেশি নোরা ফাতেহির সঙ্গে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয়, ছবিতে ছবিতে কানাডায় বিশ্বকাপের উদ্বোধন রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করলেন কোয়েল মল্লিক সেন্ট্রাল পার্কে বিশ্বকাপ উন্মাদনা, বিনামূল্যে ফাইনাল দেখাবে নিউইয়র্কবাসী
Logo
logo

ট্রাম্পকে মোদির অনুরোধ ‘স্যার, আমি কি আপনার সঙ্গে দেখা করতে পারি?’


খবর   প্রকাশিত:  ০৮ জানুয়ারী, ২০২৬, ১০:০১ এএম

ট্রাম্পকে মোদির অনুরোধ ‘স্যার, আমি কি আপনার সঙ্গে দেখা করতে পারি?’

রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার কারণে ওয়াশিংটন দিল্লির ওপর যে শুল্ক আরোপ করেছে, তাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তার ওপর ‘তেমন একটা খুশি নন’ বলে মঙ্গলবার জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত অ্যাপাচি হেলিকপ্টার সরবরাহের বিষয়ে মোদি সরাসরি তার সঙ্গে বিষয়টি উত্থাপন করেছিলেন এবং তাকে ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করেছিলেন। 

প্রতিরক্ষা উৎপাদনের সময়সীমা ও বৈদেশিক সামরিক বিক্রির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, “আমার কাছে মোদি এসেছিলেন। এসে বলেছেন, ‘স্যার, আমি পাঁচ বছর ধরে অপেক্ষা করছি।

আমরা এটা বদলাচ্ছি, আমরা এটা বদলাচ্ছি।”

 

মোদির সঙ্গে তার ‘খুব ভালো সম্পর্ক’ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “ভারত ৬৮টি অ্যাপাচি অর্ডার করেছিল এবং প্রধানমন্ত্রী মোদি আমাকে দেখতে এলেন। বললেন, ‘স্যার, আমি কি আপনার সঙ্গে দেখা করতে পারি?’ আমি বললাম, হ্যাঁ।”

পরে ট্রাম্প দ্রুত স্বীকার করেন, বাণিজ্যনীতির কারণে তাদের সম্পর্ক টানাপড়েনে রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘তিনি (মোদি) আমার প্রতি খুব খুশি নন, কারণ আপনারা জানেন, এখন তারা অনেক শুল্ক দিচ্ছে।’

 

ট্রাম্প আরো বলেন, ‘কিন্তু এখন তারা (ভারত) রাশিয়া থেকে তেল কেনায় উল্লেখযোগ্যভাবে তা কমিয়েছে।’

রাশিয়ার তেল কেনার কারণে ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল, যা ইউক্রেনের সংঘাতের মধ্যে রাশিয়ার অর্থনীতিকে সহায়তা করছে বলে যুক্তরাষ্ট্র মনে করে।

ভারতের রুশ তেল আমদানি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ দূর না হলে ওয়াশিংটন ভারতের পণ্যের ওপর শুল্ক আরো বাড়াতে পারে।

 

নিজের বক্তব্যে এই রিপাবলিকান নেতা শুল্কের পক্ষে সাফাই গেয়ে বলেন, এসব ট্যাক্সের কারণে যুক্তরাষ্ট্র আর্থিকভাবে উপকৃত হচ্ছে।

এরপর তিনি প্রসঙ্গ ঘুরিয়ে বলেন, অস্ত্র ব্যবস্থা আমেরিকান বাহিনী ও বিদেশি ক্রেতাদের কাছে পৌঁছতে খুব বেশি সময় লাগছে। তিনি বলেন, ‘এফ-৩৫ পেতে খুব সময় লাগে, অ্যাপাচি হেলিকপ্টারও,’ এবং প্রতিরক্ষা ঠিকাদারদের উৎপাদন দ্রুত করার আহ্বান জানান।