NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ১৫, ২০২৬ | ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব মরক্কোর সঙ্গে ড্র, হতাশায় ‘হেক্সা অভিযান’ শুরু ব্রাজিলের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এক টুকরো বাংলাদেশ! গানে গানে সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শ্রদ্ধা, দেওয়া হলো সংবর্ধনা কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প? বেলফাস্টে ঘরবন্দি ৫ হাজার বাংলাদেশি নোরা ফাতেহির সঙ্গে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয়, ছবিতে ছবিতে কানাডায় বিশ্বকাপের উদ্বোধন রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করলেন কোয়েল মল্লিক সেন্ট্রাল পার্কে বিশ্বকাপ উন্মাদনা, বিনামূল্যে ফাইনাল দেখাবে নিউইয়র্কবাসী
Logo
logo

সামীরা-ডনসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন পেছাল


খবর   প্রকাশিত:  ০৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৯:১২ এএম

সামীরা-ডনসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন পেছাল

চিত্রনায়ক সালমান শাহকে হত্যার অভিযোগে রাজধানীর রমনা মডেল থানায় দায়ের করা মামলায় তার সাবেক স্ত্রী সামীরা হক ও খলনায়ক ডনসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল আবারও পেছাল। আগামী ১৩ জানুয়ারি নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।

রোববার (৭ ডিসেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত এ নতুন দিন ধার্য করেন। এদিন প্রতিবেদন দাখিলের সময় থাকলেও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও রমনা মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক আতিকুল ইসলাম খন্দকার কোনো প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি। ফলে আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন— সামীরা হকের মা লতিফা হক লুছি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসি, খলনায়ক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আ. ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ওরফে ফরহাদ।

গত ২০ অক্টোবর সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় করা অপমৃত্যুর মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন আদালত। এর পরদিন মধ্যরাতে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনের বাসা থেকে চিত্রনায়ক সালমান শাহর লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে তার বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেন। ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ওই মামলা হত্যা মামলা হিসেবে রূপান্তরের আবেদন করা হলে আদালত সিআইডিকে তদন্তের দায়িত্ব দেন।

১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর সিআইডি তদন্ত শেষে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে, যেখানে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলা হয়। ওই বছরের ২৫ নভেম্বর সিএমএম আদালত প্রতিবেদনটি গ্রহণ করলেও কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী তা প্রত্যাখ্যান করে রিভিশন মামলা করেন। পরে ২০০৩ সালের ১৯ মে মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তে পাঠানো হয়। 

 

 

দীর্ঘ ১১ বছর পর ২০১৪ সালের ৩ আগস্ট বিচার বিভাগীয় তদন্তের প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইমদাদুল হক। ওই প্রতিবেদনেও সালমান শাহর মৃত্যুকে অপমৃত্যু বলা হয়। 

কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরীর মৃত্যুর পর তার স্ত্রী নীলা চৌধুরী হত্যা মামলার বাদী হন এবং ২০১৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজির আবেদন করেন।

সর্বশেষ পিবিআই তদন্ত করে ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবর আদালত সেই প্রতিবেদন গ্রহণ করে মামলাটি নিষ্পত্তি করেন। পরে ২০২২ সালের ১২ জুন এ আদেশের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে রিভিশন মামলা দায়ের করা হয়।