NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ | ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ন্যায়বিচার নিশ্চিত হলেই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব : আইরিন খান আমি রাজপরিবারের হলে মেগান আর প্রিন্স হ্যারিকে ফিরিয়ে নিতাম না : ট্রাম্প শান্তিচুক্তির অগ্রগতি হলে পুতিনের সঙ্গে আবার বৈঠকে বসতে চান ট্রাম্প বিশেষ সম্মানে মেসির ক্যারিয়ার উদযাপন করবে আর্জেন্টিনা সব ধরনের প্রচার থেকে আড়ালে যাচ্ছেন আরিয়ানা গ্রান্ডে নেপালের বন্যা জলবায়ু নিয়ে বিশ্বকে আরও সক্রিয় হওয়ার বার্তা দিচ্ছে: জিসিএফ প্রধান বাংলাদেশে প্রায় ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে: বিশ্বব্যাংক আমাদের সামনে এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি মানবে সরকার ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিনদের সতর্কবার্তা
Logo
logo

৮১ আফগান নাগরিককে প্রত্যাবাসন করলো জার্মানি


খবর   প্রকাশিত:  ১৯ জুলাই, ২০২৫, ১০:০৭ এএম

৮১ আফগান নাগরিককে প্রত্যাবাসন করলো জার্মানি

৮১ জন আফগান নাগরিককে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে জার্মানি। ২০২১ সালে তালেবান আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর এটি দ্বিতীয়বারের মতো প্রত্যাবাসন এবং নতুন চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ-এর অধীনে প্রথমবারের মতো এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো। মার্জ তার সরকারের কঠোর অভিবাসন নীতি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

ফেরত পাঠানো সব আফগান নাগরিকের আশ্রয় আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল এবং তারা জার্মান বিচার বিভাগের নজরে এসেছিলেন। কাতারের সহায়তায় এবং কয়েক সপ্তাহের কূটনৈতিক আলোচনার পর এই প্রত্যাবাসন সম্পন্ন হয়।

 

চ্যান্সেলর মার্জ নিশ্চিত করেন যে আফগান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে, তবে এর বিস্তারিত জানাতে তিনি অস্বীকৃতি জানান।

এর আগে সাবেক চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎস-এর সরকার ১০ মাস আগে আফগানিস্তানে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু করেছিল। শলৎস তখন আশ্রয়প্রার্থীদের দ্রুত ফেরত পাঠানোর অঙ্গীকার করেছিলেন।

 

যদিও জার্মানি তালেবান-শাসিত আফগান সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়নি, তবুও দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেনি।

জার্মানির অভ্যন্তরীণ মন্ত্রণালয় ইঙ্গিত দিয়েছে যে ভবিষ্যতেও আরও আফগান নাগরিককে ফেরত পাঠানো হবে, যদিও নির্দিষ্ট সময়সূচি জানানো হয়নি।

চ্যান্সেলর মার্জের অধীনে সরকার সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো, আগের সরকারের শুরু করা সীমান্ত তল্লাশি সম্প্রসারণ ও কিছু শ্রেণির আশ্রয়প্রার্থীদের প্রবেশ নিষেধাজ্ঞাসহ বিভিন্ন কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। পরিবার পুনর্মিলন কর্মসূচিও অনেক ক্ষেত্রেই স্থগিত রাখা হয়েছে।