NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ | ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ন্যায়বিচার নিশ্চিত হলেই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব : আইরিন খান আমি রাজপরিবারের হলে মেগান আর প্রিন্স হ্যারিকে ফিরিয়ে নিতাম না : ট্রাম্প শান্তিচুক্তির অগ্রগতি হলে পুতিনের সঙ্গে আবার বৈঠকে বসতে চান ট্রাম্প বিশেষ সম্মানে মেসির ক্যারিয়ার উদযাপন করবে আর্জেন্টিনা সব ধরনের প্রচার থেকে আড়ালে যাচ্ছেন আরিয়ানা গ্রান্ডে নেপালের বন্যা জলবায়ু নিয়ে বিশ্বকে আরও সক্রিয় হওয়ার বার্তা দিচ্ছে: জিসিএফ প্রধান বাংলাদেশে প্রায় ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে: বিশ্বব্যাংক আমাদের সামনে এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি মানবে সরকার ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিনদের সতর্কবার্তা
Logo
logo

পশ্চিমাদের ওপর হামলার জন্য রাশিয়াকে প্রস্তুত থাকতে হবে: মেদভেদেভ


খবর   প্রকাশিত:  ১৮ জুলাই, ২০২৫, ১০:০৭ এএম

পশ্চিমাদের ওপর হামলার জন্য রাশিয়াকে প্রস্তুত থাকতে হবে: মেদভেদেভ

ন্যাটো বা ইউরোপে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনা নেই রাশিয়ার। তবে যদি পশ্চিমা দেশগুলো ইউক্রেন যুদ্ধকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে, তাহলে মস্কোকে পূর্ণ জবাব দিতে হবে এবং প্রয়োজনে পূর্বপ্রতিরোধমূলক হামলা চালাতে হবে। রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ এই মন্তব্য করেছেন।

মেদভেদেভের বক্তব্যে বোঝা যাচ্ছে ইউক্রেন ইস্যুতে পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে মস্কোর সংঘাত আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ৫০ দিনের মধ্যে শান্তিচুক্তির সময় বেধে দিয়েছেন।

 

মেদভেদেভ বলেন, পশ্চিমা নেতারা ইচ্ছাকৃতভাবে উত্তেজনা বাড়াতে চাইছে। তিনি আরও বলেন, আমাদের সেই অনুযায়ী কাজ করতে হবে। পূর্ণভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে হবে এবং প্রয়োজনে, পূর্বপ্রতিরোধমূলক হামলা চালাতে হবে।

তিনি অভিযোগ করেন, পশ্চিমা নেতারা নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের ভ্রান্ত ধারণায় বুঁদ হয়ে আছেন এবং তাদের রক্তে বিশ্বাসঘাতকতা মিশে আছে।

 

মেদভেদেভের বক্তব্য সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, মেদভেদেভ তার মতামত প্রকাশ করেছেন এবং ইউরোপের বর্তমান সংঘাতপূর্ণ পরিবেশ নিয়ে তার উদ্বেগ যৌক্তিক।

মেদভেদেভ বর্তমানে রাশিয়ার নিরাপত্তা কাউন্সিলের উপ-চেয়ারম্যান। প্রেসিডেন্ট থাকাকালে তাকে একজন আধুনিকতাবাদী ও উদারপন্থি ভাবা হলেও এখন তিনি ক্রেমলিনের এক কঠোর পশ্চিমবিরোধী কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত।

যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে এরই মধ্যে ১২ লাখ মানুষ আহত বা নিহত হয়েছে, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাত।