NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, আগস্ট ১৪, ২০২৬ | ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা, সতর্ক করল জাতিসংঘ দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসিতে জমা পড়েছে তিন মনোনয়নিপত্র বিএনপির মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ মির্জা ফখরুলের, রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা বেলুচিস্তানের স্বাধীনতা দিবস পালন: বিশ্বমঞ্চে সার্বভৌমত্বের জোরালো স্বীকৃতি দাবি বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্বারোপ হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারির পদ ছাড়ছেন ক্যারোলিন লেভিট তুরস্কে ট্রাম্পের অবস্থান জানত ইরান, ছিল বিমানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরিকল্পনা প্রথম সেশনেই ৪ উইকেট শিকার বাংলাদেশের, চাপে অস্ট্রেলিয়া
Logo
logo

ইউক্রেনে পশ্চিমা অস্ত্র সরবরাহের ওপর নজর রাখছে রাশিয়া: ক্রেমলিন


খবর   প্রকাশিত:  ১৭ জুলাই, ২০২৫, ১০:০৭ এএম

ইউক্রেনে পশ্চিমা অস্ত্র সরবরাহের ওপর নজর রাখছে রাশিয়া: ক্রেমলিন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেনে নতুন করে অস্ত্র সরবরাহ শুরুর ঘোষণা দেওয়ার পর রাশিয়া জানিয়েছে তারা পশ্চিমা দেশগুলোর এই কার্যকলাপ ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। বুধবার এ তথ্য জানিয়েছেন ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ।

তিনি আরও জানান, ট্রাম্প ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে নতুন কোনো ফোনালাপ বর্তমানে নির্ধারিত নেই, তবে প্রয়োজন হলে দ্রুত তা আয়োজন করা সম্ভব।

 

এর আগে ট্রাম্প প্রকাশ্যে রাশিয়ার প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং জানান যে পুতিনকে ৫০ দিনের মধ্যে শান্তিচুক্তিতে সম্মত হতে হবে, না হলে কঠোর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।

ট্রাম্প বলেছেন, আমরা সেকেন্ডারি ট্যারিফ আরোপ করবো। যারা রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য করবে, তাদের ওপরও প্রভাব পড়বে।

 

ক্রেমলিন মুখপাত্র পেসকভ বলেন, আমরা ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহের বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।

বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া এখন শান্ত থাকো এবং কাজ চালিয়ে যাও নীতি অনুসরণ করছে, যদিও ট্রাম্পের চাপ আদৌ পুতিনকে যুদ্ধ বন্ধে প্ররোচিত করবে কিনা, তা অনিশ্চিত।

নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, আমি প্রেসিডেন্ট হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করে দিতাম।

 

তবে এখন পর্যন্ত ট্রাম্প ও পুতিনের ছয়বারের ফোনালাপ এবং রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্র-ইউক্রেনের প্রতিনিধিদের কয়েকটি বৈঠক সত্ত্বেও যুদ্ধবিরতি হয়নি।