NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ | ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ন্যায়বিচার নিশ্চিত হলেই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব : আইরিন খান আমি রাজপরিবারের হলে মেগান আর প্রিন্স হ্যারিকে ফিরিয়ে নিতাম না : ট্রাম্প শান্তিচুক্তির অগ্রগতি হলে পুতিনের সঙ্গে আবার বৈঠকে বসতে চান ট্রাম্প বিশেষ সম্মানে মেসির ক্যারিয়ার উদযাপন করবে আর্জেন্টিনা সব ধরনের প্রচার থেকে আড়ালে যাচ্ছেন আরিয়ানা গ্রান্ডে নেপালের বন্যা জলবায়ু নিয়ে বিশ্বকে আরও সক্রিয় হওয়ার বার্তা দিচ্ছে: জিসিএফ প্রধান বাংলাদেশে প্রায় ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে: বিশ্বব্যাংক আমাদের সামনে এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি মানবে সরকার ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিনদের সতর্কবার্তা
Logo
logo

ইলন মাস্ককে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের হুমকি ট্রাম্পের


খবর   প্রকাশিত:  ০২ জুলাই, ২০২৫, ১০:০৭ এএম

ইলন মাস্ককে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের হুমকি ট্রাম্পের

টেসলা ও স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল’ নামে পরিচিত ব্যয় পরিকল্পনার সমালোচনার পর বলেছেন, দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্ম নেওয়া মাস্ককে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি তিনি বিবেচনা করতে পারেন।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) ট্রাম্প হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমি জানি না, বিষয়টা দেখে নিতে হতে পারে।

 

তিনি আরও বলেন, আমরা হয়তো ডোজকে ইলনের পেছনে লাগিয়ে দিতে পারি। জানো ডোজ কী? ডোজ হলো সেই দানব, যে ইলনকে খেয়ে ফেলতে পারে।

 

উল্লেখ্য, ডোজ (ডিওজিই) ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিসিয়েন্সি’ ছিল সরকারের একটি দপ্তর, যার নেতৃত্বে আগে ছিলেন ইলন মাস্ক। গত মে মাসের শেষে তিনি পদত্যাগ করেন।

ট্রাম্প বলেন, মাস্ক তার বিলের সমালোচনা করছেন কারণ সেখানে বৈদ্যুতিক যানবাহন (ইভি) শিল্পের জন্য প্রণোদনা বাতিল করা হয়েছে। তিনি তার ইভি ম্যান্ডেট হারাচ্ছেন। তিনি খুব ক্ষুব্ধ। তবে আমি বলতে পারি, তিনি আরও অনেক কিছু হারাতে পারেন।

ট্রাম্প তার সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে সোমবার রাতে লেখেন, সরকারি ভর্তুকি ছাড়া ইলনকে হয়তো দোকানপাট গুটিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় ফিরে যেতে হবে।

 

২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ইলন মাস্ক ছিলেন ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় অর্থদাতা এবং তার বিজয়ের পর প্রায় সবসময় প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ছিলেন। তবে চলতি মাসে ‘বিগ বিল’ ঘিরে তাদের মধ্যে প্রকাশ্যে বিরোধ তৈরি হয়।

মাস্ক সাম্প্রতিক দিনগুলোতে আবারও রিপাবলিকান পার্টিকে সমালোচনা করে বলেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রকে বৈদ্যুতিক গাড়ি ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি বিপ্লবে নেতৃত্ব দেওয়ার লক্ষ্যে পেছনে ফেলে এসেছে।

এমনকি তিনি নতুন একটি রাজনৈতিক দল ‘আমেরিকা পার্টি’ গঠনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন, যদি ট্রাম্পের বিল পাস হয়।