NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ | ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ন্যায়বিচার নিশ্চিত হলেই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব : আইরিন খান আমি রাজপরিবারের হলে মেগান আর প্রিন্স হ্যারিকে ফিরিয়ে নিতাম না : ট্রাম্প শান্তিচুক্তির অগ্রগতি হলে পুতিনের সঙ্গে আবার বৈঠকে বসতে চান ট্রাম্প বিশেষ সম্মানে মেসির ক্যারিয়ার উদযাপন করবে আর্জেন্টিনা সব ধরনের প্রচার থেকে আড়ালে যাচ্ছেন আরিয়ানা গ্রান্ডে নেপালের বন্যা জলবায়ু নিয়ে বিশ্বকে আরও সক্রিয় হওয়ার বার্তা দিচ্ছে: জিসিএফ প্রধান বাংলাদেশে প্রায় ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে: বিশ্বব্যাংক আমাদের সামনে এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি মানবে সরকার ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিনদের সতর্কবার্তা
Logo
logo

লন্ডনে বাণিজ্য আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন


খবর   প্রকাশিত:  ০৯ জুন, ২০২৫, ১০:০৬ এএম

লন্ডনে বাণিজ্য আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন

চলমান বাণিজ্য বিরোধ নিরসনে সোমবার (৯ জুন) লন্ডনে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ বৈঠক বিশ্ববাজারে টানাপোড়েন কমানোর সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট, বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক এবং বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার। চীনের পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন ভাইস-প্রিমিয়ার হে লিফেং।

 

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শনিবার জানায়, হে লিফেং ৮ জুন থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে অবস্থান করবেন। এই সফরের মধ্যেই চীন-যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য পরামর্শ কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

ট্রাম্প তার পোস্টে বলেন, আলোচনাটি খুব ভালোভাবে হবে।

 

এই বৈঠকের আগে বৃহস্পতিবার ট্রাম্প ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এক বিরল ফোনালাপে কথা বলেন। উভয় নেতা একে অপরকে সফরের আমন্ত্রণ জানান।

ট্রাম্পের ‘লিবারেশন ডে’ নামে ঘোষিত বৈশ্বিক শুল্ক নীতির ফলে এপ্রিলে মার্কিন বাজারের সূচকগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে ১২ মে জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে একটি ৯০ দিনের অস্থায়ী চুক্তি স্বাক্ষরের পর বাজারে স্বস্তি ফিরে আসে। এই চুক্তিতে উভয় দেশ একে অপরের ওপর আরোপিত উচ্চ হারে শুল্ক কিছুটা প্রত্যাহার করতে সম্মত হয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, আলোচনায় প্রধান বাধা হচ্ছে বিরল খনিজ পদার্থের রপ্তানি। চীন চাইলে এসব রপ্তানি বন্ধ করে মার্কিন অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

 

ট্রাম্প পুনরায় প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে একাধিকবার যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য অংশীদারদের ওপর কঠোর শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন, আবার অনেক সময় শেষ মুহূর্তে সেসব সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন, যা বিশ্ব নেতাদের বিভ্রান্ত করেছে এবং ব্যবসায়ী মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

চীনকে মার্কিন নীতিনির্ধারকরা বারবার ‘প্রধান ভূ-রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী’ হিসেবে চিহ্নিত করছেন, যেটি অর্থনৈতিক ও সামরিক উভয় ক্ষেত্রেই যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম বলে মনে করা হয়।

সূত্র: রয়টার্স