NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ | ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ন্যায়বিচার নিশ্চিত হলেই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব : আইরিন খান আমি রাজপরিবারের হলে মেগান আর প্রিন্স হ্যারিকে ফিরিয়ে নিতাম না : ট্রাম্প শান্তিচুক্তির অগ্রগতি হলে পুতিনের সঙ্গে আবার বৈঠকে বসতে চান ট্রাম্প বিশেষ সম্মানে মেসির ক্যারিয়ার উদযাপন করবে আর্জেন্টিনা সব ধরনের প্রচার থেকে আড়ালে যাচ্ছেন আরিয়ানা গ্রান্ডে নেপালের বন্যা জলবায়ু নিয়ে বিশ্বকে আরও সক্রিয় হওয়ার বার্তা দিচ্ছে: জিসিএফ প্রধান বাংলাদেশে প্রায় ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে: বিশ্বব্যাংক আমাদের সামনে এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি মানবে সরকার ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিনদের সতর্কবার্তা
Logo
logo

আসিয়ান ইন্টার-পার্লামেন্টারি অ্যাসেম্বলির কূটনীতির ওপর বিশেষ জোর


খবর   প্রকাশিত:  ২৬ মে, ২০২৫, ০৯:০৫ পিএম

আসিয়ান ইন্টার-পার্লামেন্টারি অ্যাসেম্বলির কূটনীতির ওপর বিশেষ জোর

আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অস্থিরতা মোকাবিলায় আসিয়ান-আইপা নেতাদের ১৪তম সংলাপে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে মিয়ানমার, গাজা ও ইউক্রেন পরিস্থিতি। এই ভূরাজনৈতিক সংকটগুলোর সমাধানে শান্তিপূর্ণ সংলাপ ও কূটনৈতিক উদ্যোগের ওপর জোর দিয়ে আসিয়ান ইন্টার-পার্লামেন্টারি অ্যাসেম্বলি (আইপা) তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।

সংলাপে আইপা প্রেসিডেন্ট তান শ্রী দাতো (ড.) জোহারি বিন আবদুল বলেন, ‘আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করতে হলে কেবল রাষ্ট্রপ্রধানদের নয়, সংসদগুলোরও দায়িত্ব রয়েছে। আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে আমরা একসঙ্গে কাজ করবো।’

 

তিনি মিয়ানমারে সামরিক দমন-পীড়ন, গাজায় মানবিক বিপর্যয় এবং ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধের নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘এই সংকটগুলোর দীর্ঘমেয়াদি সমাধান চাই এবং তার জন্য চাই টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক কূটনীতি।’

প্রধানমন্ত্রী দাতো সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমের সভাপতিত্বে সংলাপে আসিয়ান নেতারা ‘আসিয়ান আউটলুক অন দ্য ইন্দো-প্যাসিফিক’-এর আলোকে শান্তিপূর্ণ সমাধানকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। আইপা প্রতিনিধিরা মনে করেন, সংকটগুলোর প্রভাব কেবল নির্দিষ্ট অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ নয়—এগুলো গোটা বিশ্বব্যবস্থাকে নাড়িয়ে দিচ্ছে। তাই এই সংকট নিরসনে আসিয়ানের ভূমিকা শুধু নৈতিক নয়, রাজনৈতিকভাবেও গুরুত্বপূর্ণ।

 

 

 

পরিশেষে, সব সদস্য রাষ্ট্র ও সংসদকে কূটনৈতিক তৎপরতা ও সংসদীয় কণ্ঠকে আরও সক্রিয় করার আহ্বান জানানো হয়, যেন ভবিষ্যতের আসিয়ান হয় শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল ও মানুষের মর্যাদা রক্ষাকারী একটি গ্লোবাল শক্তি।