NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২২, ২০২৬ | ৬ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
তিন বিভাগে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের কৃষকদের জন্য ৮০০ কোটি ডলার জ্বালানি সহায়তার ঘোষণা ট্রাম্পের সহিংস বিক্ষোভে টালমাটাল ফ্রান্স, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিল পুলিশ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে থাকতে পারে ভিএআর, উন্নত প্রযুক্তির বল ‘চিরকুট’ সিনেমায় মেহেদী-ঐশীর ‘রঙ্গিলা আসমান’ জাতিসংঘ জীববৈচিত্র্য সম্মেলন: ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে জবাবদিহিতার মুখোমুখি বিশ্বনেতারা শিক্ষার্থীদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর দুই আবেদন ফ্রান্সে বিক্ষোভে সহিংসতা : পর্যটন দপ্তরে আগুন, গ্রেপ্তার ১৬০ জনের বেশি যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবল মাঠে ট্রাক ঢুকে শিশুসহ নিহত ২ সেই ফেক ভিডিও নিয়ে এবার ক্ষোভ ঝাড়লেন পরীমনি
Logo
logo

বনশিল্পের যুগ্ম-সচিব সাজ্জাদুলের ৭৫ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ


খবর   প্রকাশিত:  ১২ ডিসেম্বর, ২০২৩, ১০:৫৪ এএম

>
বনশিল্পের যুগ্ম-সচিব সাজ্জাদুলের ৭৫ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ

বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশনের যুগ্ম-সচিব (পরিচালক, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মো. সাজ্জাদুল ইসলামের পৌনে ১ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

যে কারণে তার বিরুদ্ধে শিগগিরই মামলা করতে যাচ্ছে সংস্থাটি। দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক সাইফুল ইসলামের সুপারিশে কমিশন থেকে সোমবার (৮ আগস্ট) মামলা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দুদকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দুদক সূত্রে জানা যায়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাবেক যুগ্ম প্রধান সাজ্জাদুল ইসলাম বর্তমানে বাংলাদেশ বন শিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশনের পরিচালক হিসেবে কর্মরত। তার বিরুদ্ধে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে থাকাকালীন দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে এবং অনুসন্ধান শুরু হয়। অনুসন্ধান পর্যায়ে দুদকে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণী যাচাই-বাছাই করে ২ কোটি ১ লাখ ৮২ হাজার ৭৮৮ টাকার নিট সম্পদ পাওয়া যায়। যেখানে সাজ্জাদুল ইসলাম ২০০৪-০৫ কর বর্ষ থেকে ২০২০-২১ কর-বর্ষ পর্যন্ত পারিবারিক ব্যয় বাবদ ৯৫ লাখ ৯১ হাজার ২৫১ টাকা দেখিয়েছেন। নিট সম্পদের সঙ্গে পারিবারিক ব্যয় যোগ করলে মোট ২ কোটি ৯৭ লাখ ৭৪ হাজার টাকার সম্পদের হিসাব পাওয়া যায়।

সূত্র আরও জানায়, অনুসন্ধানকালে সাজ্জাদুল ইসলামের মোট ২ কোট ২২ লাখ ১৪ হাজার ৯২৮ টাকার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায়। ফলে বাকি ৭৫ লাখ ৫৯ হাজার টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয় বহির্ভূত বলে দুদকের কাছে প্রমাণ রয়েছে। যে কারণে দুদক আইন ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।