NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, অক্টোবর ১১, ২০২৬ | ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুক্তরাষ্ট্রে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে বন্দুক হামলায় নিহত ১৪ দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের আটকের ঘটনায় জাতিসংঘের উদ্বেগ গোল বাতিল করে ভিনিসিয়ুসকে দেখানো হলো লাল কার্ড, কষ্টে জিতল রিয়াল সড়ক দুর্ঘটনার কবলে অভিনেত্রী তানজিন তিশা মানসিক অসুস্থতাকে ঘিরে ভয় ও কুসংস্কার দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নাভি পিল্লের নোবেল জয়ের পরপরই আইসিসির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা হোয়াইট হাউসের নতুন প্রেস সেক্রেটারি কেটি জাকারিয়া শ্রমিক লীগ সভাপতি কাজী আজিজুল হক খোকনের জানাজা সম্পন্ন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জোরদার যুক্তরাষ্ট্রের, কার্যক্রম বন্ধের হুঁশিয়ারি
Logo
logo

সাত সকালে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো বাংলাদেশ


খবর   প্রকাশিত:  ০৮ জানুয়ারী, ২০২৫, ১২:৫১ এএম

সাত সকালে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো বাংলাদেশ

চার দিনের মাথায় সাত সকালে আবারও ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো বাংলাদেশ। মঙ্গলবার সকাল ৭টা ৫ মিনিটে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তবে প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, ভূ-কম্পনটির উৎপত্তিস্থল চীনের তিব্বতে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ১।

 

ভূ-কম্পনটি বাংলাদেশ ছাড়াও নেপাল, ভারত, ভুটানে অনুভূত হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা  বলেন, আজ সকাল ৭টা ৫ মিনিটে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

 

তিনি আরও জানান, ঢাকা থেকে ৬১৮ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে চীনের একটি স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়। ভূ-কম্পনটির মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ১।

এর আগে ৩ জানুয়ারি রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস বলছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল চীনের জিজ্যাংয়ে (তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল)। উৎপত্তিস্থলে এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।

 

ভূ-প্রাকৃতিক অবস্থানের কারণে দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহ ভূমিকম্প ঝুঁকিতে রয়েছে। ইন্ডিয়ান প্লেট ও ইউরেশিয়া প্লেটের বিস্তৃতি এ অঞ্চলে। ইউরেশিয়া ও ইন্ডিয়ান টেকটোনিক প্লেটের ফল্টে বড় ধরনের আঘাতের কারণে এর আগেও এ অঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়েছে। ২০১৫ সালে ৭ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল নেপাল। ২০১৫ সালের ২৫ এপ্রিল আরও একটি শক্তিশালী আফটার শক হয়। ১৯৩৪ সালের পর নেপালে আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প ছিল এটি। এতে ৮ হাজার ৬৬৯ জন নিহত হয়।। বহু স্থাপনা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।