NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, অক্টোবর ১১, ২০২৬ | ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুক্তরাষ্ট্রে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে বন্দুক হামলায় নিহত ১৪ দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের আটকের ঘটনায় জাতিসংঘের উদ্বেগ গোল বাতিল করে ভিনিসিয়ুসকে দেখানো হলো লাল কার্ড, কষ্টে জিতল রিয়াল সড়ক দুর্ঘটনার কবলে অভিনেত্রী তানজিন তিশা মানসিক অসুস্থতাকে ঘিরে ভয় ও কুসংস্কার দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নাভি পিল্লের নোবেল জয়ের পরপরই আইসিসির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা হোয়াইট হাউসের নতুন প্রেস সেক্রেটারি কেটি জাকারিয়া শ্রমিক লীগ সভাপতি কাজী আজিজুল হক খোকনের জানাজা সম্পন্ন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জোরদার যুক্তরাষ্ট্রের, কার্যক্রম বন্ধের হুঁশিয়ারি
Logo
logo

ডি-৮ সম্মেলনে যোগ দিতে মিশরে পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা


খবর   প্রকাশিত:  ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১১:৪৫ পিএম

ডি-৮ সম্মেলনে যোগ দিতে মিশরে পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

ডি-৮ সম্মেলনে যোগ দিতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস মিশরের রাজধানী কায়রোতে পৌঁছেছেন। বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় বেলা ১১টায় মিশরের রাজধানী কায়রো পৌঁছান তিনি।

কায়রো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান মিশরের পাবলিক বিজনেস সেক্টরের মন্ত্রী প্রকৌশলী মোহাম্মদ শিমি। পরে প্রধান উপদেষ্টা মন্ত্রীর সঙ্গে সংক্ষিপ্ত বৈঠক করেন।

 

এর আগে বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত ১টা ২০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে বহনকারী ফ্লাইটটি মিশরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।

ডি-৮ সম্মেলনে যোগ দিতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস মিশরের রাজধানী কায়রোতে পৌঁছেছেন

 

ডি-৮ (ডেভেলপিং এইট) অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থার ২০২৪ সালের শীর্ষ সম্মেলন মিশরের রাজধানী কায়রোতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। মিশর এই সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

ডি-৮ সংস্থা বাংলাদেশ, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান এবং তুরস্কের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

 

১৯৯৭ সালের ১৫ জুন ইস্তাম্বুল ঘোষণার মাধ্যমে এই সংস্থার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। সংস্থার লক্ষ্য হলো বৈশ্বিক অর্থনীতিতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অবস্থানের উন্নয়ন, বাণিজ্য সম্পর্কের বহুমুখীকরণ, নতুন সুযোগ সৃষ্টি, আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত করা।