NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬ | ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সিরিয়ায় আসাদ আমলের রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংস শুরু, ২০১৪ সালের পর প্রথম যাচাইয়ে স্বাগত জানাল জাতিসংঘ রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের বৈঠক মার্কিন হামলায় ৩ ইরানি সামরিক পাইলট নিহত: আইআরজিসি সুড়ঙ্গের ভেতর থেকে ভেসে আসছে আরো মানুষের কণ্ঠস্বর রেকর্ড ৯৯৫ কোটি টাকায় আল হিলালে ব্রাজিলের মার্তিনেল্লি টিজারের সমালোচনা কাটিয়ে ‘হ্যারি পটার’ ট্রেলারে মুগ্ধ ভক্তরা ইন্দো-প্যাসিফিকে সহযোগিতা জোরদারে দিল্লিতে কোয়াড শেরপাদের বৈঠক কিউবার বিরুদ্ধে ফের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, টার্গেটে কাস্ত্রো পরিবারের সদস্য ও ব্যাংক-জ্বালানি খাত মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র নিয়ে বৈঠক
Logo
logo

আমাদের শত্রু এক, বিরল খুতবায় বললেন খামেনি


খবর   প্রকাশিত:  ০৪ অক্টোবর, ২০২৪, ০৭:১৬ পিএম

আমাদের শত্রু এক, বিরল খুতবায় বললেন খামেনি

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি আজ শুক্রবার জুমার খুতবা দিয়েছেন। পাঁচ বছরের মধ্যে এই প্রথম তিনি খুতবা দিয়েছেন। খুতবার শুরুতেই পারসি ভাষায় খামেনি পবিত্র গ্রন্থ কোরআনের নীতির ভিত্তিতে বিশ্বব্যাপী মুসলিমদের একতার ওপর জোর দেন। এতে তিনি বিশ্বব্যাপী মুসলিমদের এক হওয়ার বার্তা দেন।

ইসরায়েলে ইরানের হামলার প্রশংসা করে তা পুরোপুরি বৈধ বলেও অভিহিত করেন।

 

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইরান, ফিলিস্তিন, লেবানন, মিসর, ইরাক, সিরিয়া ও ইয়েমেনের ‘শত্রু এক’ বলেছেন । তিনি বলেছেন, এই শত্রুপক্ষ মুসলিমদের মধ্যে বিভাজন ও ঘৃণার বীজ বপন করতে চায়।

তিনি বলেন, ‘আমাদের শত্রুদের গৃহীত নীতিগুলো বিভাজন এবং রাষ্ট্রদ্রোহের বীজ বপন করে সব মুসলমানের মধ্যে ফাটল সৃষ্টি করা।

তারা ফিলিস্তিন, লেবানন, মিসর এবং ইরাকিদের একই শত্রু। তারা ইয়েমেনি এবং সিরিয়ার জনগণের শত্রু।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের শত্রু এক।’

 

খামেনিকে একনজর দেখতে তেহরানে এই খুতবায় কয়েক হাজার মানুষ জড়ো হয়েছিল।

মুসল্লিদের কারো কারো হাতে হিজবুল্লাহর সবুজ ও হলুদ পতাকা ছিল। আবার কারো কারো হাতে ছিল ফিলিস্তিনের পতাকা এবং নিহত নেতাদের প্রতিকৃতি।

 

খামেনি বলেন, আগ্রাসনকারীদের হাত থেকে আত্মরক্ষা করার অধিকার প্রতিটি দেশের রয়েছে। মুসলিম দেশগুলোকে তাদের শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা গড়ে তোলার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। 

খামেনি আরো বলেন, দক্ষিণ ইসরায়েলে হামাসের ৭ অক্টোবরের হামলা এবং ইরানের সাম্প্রতিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ছিল ‘আইনি ও বৈধ’।

এ সময় উল্লাসকারী জনতাকে তিনি বলেন, ‘প্রতিটি দেশ, প্রতিটি মানুষের চূড়ান্ত অত্যাচারের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষা করার চূড়ান্ত অধিকার রয়েছে।’

 

তিনি ফিলিস্তিনের পক্ষেও বক্তব্যে বলেন, তার দেশ ইসরায়েলের মোকাবেলায় ‘তার দায়িত্ব পালনে বিলম্ব বা তাড়াহুড়া করবে না’। 

খামেনি বলেন, ‘ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মরক্ষার বৈধ অধিকার রয়েছে। সেই অপরাধীদের বিরুদ্ধে, সেই দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে পারে তারা। এমন কোনো একক আদালত বা আন্তর্জাতিক সংস্থা মাতৃভূমিকে রক্ষা করার জন্য শুধু ফিলিস্তিনি জনগণকে দোষারোপ করতে পারে না।’

খামেনি বলেন, ইসরায়েলকে সমর্থনকারী বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ এই অঞ্চলের সবচেয়ে চাপের বিষয়। ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ‘ইহুদিপন্থী’ শাসনকে ৭০ বছর পিছিয়ে দিয়েছে। কারণ তারা এখন  টিকে থাকার জন্য লড়াই করছে যেমন নিজেদের প্রতিষ্ঠার সময় করেছিল। তিনি লেবাননের জনগণকে হতাশ না হয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। 

তেহরানের ইমাম খোমেনি মোসাল্লা মসজিদে খামেনি অনেক বছর পর জনসমক্ষে বিরল এই খুতবা দেন।