NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুন ২৫, ২০২৬ | ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
‘ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন এ শিপটিং গ্লোবাল ল্যান্ডস্ক্যাপ’ সেশনে অংশগ্রহণ উত্তর কোরিয়ার নৌবাহিনীকে পারমাণবিক অস্ত্রে সজ্জিত করার ঘোষণা কিম জং উনের পরমাণু পরিদর্শন ছাড়া চুক্তি নয়, ইরানকে ট্রাম্পের সতর্কতা রোনালদোর স্বরূপে ফেরার রাতে পর্তুগালের গোলোৎসব জন্মদিনে নেই শুভেচ্ছা, ইনস্টাগ্রামেও আনফলো! বিজয়-তৃষার সম্পর্ক কি শেষ? যৌথ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কমিটি গঠনে সম্মত বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া ইরানের তেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ, কে হচ্ছেন স্টারমারের উত্তরসূরি? হালান্ডের জোড়া গোলে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউটে নরওয়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে যে ৬ পাকিস্তানি নাটক
Logo
logo

ক্ষমা চাওয়ার জন্য পীরজাদা হারুণকে আল্টিমেটাম


খবর   প্রকাশিত:  ২৭ আগস্ট, ২০২৪, ০৫:১৭ পিএম

ক্ষমা চাওয়ার জন্য পীরজাদা হারুণকে আল্টিমেটাম

এফডিসি নিয়ে অশ্লীল ও বিরূপ মন্তব্য করার অভিযোগ এনে অভিনেতা পীরজাদা শহীদুল হারুনকে তিন দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছে চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক ও পরিবেশক সমিতি। এই সময়ের মধ্যে প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইলে তাকে এফডিসিতে অবাঞ্ছিত ঘোষণা ও মামলা করা কথা জানান সমিতির নেতারা।

রোববার (২৫ আগস্ট) বিকেলে এফডিসিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। এসময় প্রযোজক-পরিবেশক সমিতি সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম জানান, তিনি (পীরজাদা হারুন) ক্ষমা না চাইলে, কেউ না করুক এই প্রযোজক ব্যক্তিগতভাবে তার নামে মামলা করবেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট সবার কাছে পীরজাদা হারুনকে কোনো সিনেমায় না নেওয়ার অনুরোধ জানান পরিচালক সমিতির মহাসচিব শাহীন সুমন।

সংবাদ সম্মেলনে অবাঞ্ছিত ও মামলার ঘোষণা দেওয়ার পর পীরজাদা শহীদুল হারুনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি যেটা বলেছি সেটা মিথ্যা কিছুই বলিনি। কারণ, একটা সময় গণমাধ্যমে এগুলো নিয়ে লেখাও হয়েছিল। আর আমাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার ইখতিয়ার তারা রাখে না।

আমাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করতে পারে শিল্পী সমিতি। কারণ, আমি সেই সংগঠনের সদস্য। যাদের কাজ নেই তারাই এসব নিয়ে ব্যস্ত থাকে। তারা সংবাদ সম্মেলন করে অনেক কিছুই বলতে পারে এগুলো নিয়ে মাথা ঘামানোর কিছু নেই।

 

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে পীরজাদা হারুন বলেছিলেন, এফডিসিতে ১২০টি রুম আছে বিভিন্ন প্রযোজকদের নামে। সেখানে মাদক ও নারী ব্যবসাসহ সব কিছু হতো। এমডিকে অবগত করে তখন রুমগুলো দখল মুক্ত করি। সন্ধ্যার পর থেকে এফডিসিতে মাদক সেবন ও নারী ব্যবসা হয়। ওই রুমগুলো আবার দখল হয়েছে।

এগুলো বন্ধ করা দরকার। এফডিসি পবিত্র জায়গা। পবিত্র জায়গা পবিত্র রাখতে হবে। মূলত তার এমন বক্তব্য ভিত্তিহীন বলেই দাবি চলচ্চিত্রের মানুষের। এ কারণেই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে চলচ্চিত্রের সংগঠনগুলো।